• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    রোগী পিটিয়ে খুন হাসপাতালেই! গ্রেফতার সল্টলেকের মানসিক হাতপাতালের চিকিৎসক

    রোগীকে 'পিটিয়ে' মারার অভিযোগ উঠল এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে! চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্ত চিকিৎসককে। মঙ্গলবার সল্টলেক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত চিকিৎসকের নাম আর কে ব্রহ্ম। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার পর এদিনই আদালতে পেশ করে। ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জেরা করবেন তদন্তকারীরা।

    পেশায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার রণদীপ বসু। দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। ৩ এপ্রিল তাঁকে সল্টলেকের একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের তরফে ডাক্তার আর কে ব্রহ্মের অধীনে ভর্তি করা হয় রণদীপকে। তখন কিছুদিনের মধ্যেই রণদীপ সুস্থ হয়ে যাবেন বলে আশ্বাসও দিয়েছিলেন ডাক্তারবাবু। কিন্তু তা আর হয়নি। ২০ মে হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয় রণদীপ মারা গিয়েছেন।

    গ্রেফতার অভিযুক্ত চিকিৎসক

    এরপরই রণদীপের পরিবারের পক্ষ থেকে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় চিকিৎসক আর কে ব্রহ্মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরই মধ্যে ময়নাতদন্তের রিপোর্টও হাতে পেয়ে যান তদন্তকারীরা। সেই রিপোর্ট দেখে তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা মনে করছেন, শারীরিকভাবে নিগ্রহ করার ফলেই মৃত্যু হয়েছে।

    এরপরই ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। অর্থাৎ অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ আনা হয় ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন চিকিৎসক। এদিন সল্টলেক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ এখন জানার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন এমন ঘটনা ঘটল? কী কারণে একজন রোগীকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হল? আবার নিগ্রহে অভিযুক্ত একজন চিকিৎসক! এই ঘটনার পিছনে কী রহস্য তা জানার চেষ্টা চালাবে পুলিশ।

    English summary
    Accused doctor is arrested on charge of murdering. Alleged that patient was beaten to death in Hospital.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more