• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাতের মধ্যেই ৯৫ শতাংশ স্বাভাবিক হবে শহরের বিদ্যুৎ পরিষেবা, প্রতিশ্রুতি CESC-র

আজ রাতের মধ্যেই শহরের ৯৫ শতাংশ এলাকায় স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সাংবাদিক বৈছক করে এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সিইএসসি। গ্রাহকদের কাছে সুনাম বজায় রাখতে মরিয়া সংস্থা। এমনই জাবি করেছেন সংস্থার আধিকারিকরা

রাতেই ফিরবে ৯৫ শতাংশ স্বাভাবিক

রাতেই ফিরবে ৯৫ শতাংশ স্বাভাবিক

আজ রাতের মধ্যেই ৯৫ শতাংশ স্বাভাবিক হয়ে যাবে শহরের পরিষেবা। দক্ষিণ কলকাতার অধিকাংশ এলাকাতেই বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। বেহালার বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। গভীর সংকটের মধ্যে দিয়ে পাঁচদিন ধরে দিন কাটাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

ফিরহাদের হুঁশিয়ারি

ফিরহাদের হুঁশিয়ারি

এনাফ ইজ এলাফ। এতো দেরি কেন। আম্ফানে কী হতে চলেছে তা আগে আন্দাজ করে কর্মী মজুত রাখেননি কেন। অবিলম্বে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করে শহরের বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে। হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হািকম।

বিদ্যুতের দায় সিইএসসির

বিদ্যুতের দায় সিইএসসির

আম্ফানের তাণ্ডবের পর থেকেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন শহরের অধিকাংশ এলাকা। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বভাবিক করার দায়িত্ব সিইএসসি। বাম আমলেই এই দািয়ত্ব পেয়েছিলল সংস্থাটি। এমনই দাবি করে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে দায় এড়িয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমকী সিইএসসির সদর দফতরে হাজির হয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ

বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ

আজও শহরের একাধিক এলাকায় বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। ১০০ ঘণ্টা পরেও বিদ্যৎ না পেয়ে অতি সংকটে রয়েছেন তাঁরা। বাড়িতে থাকা রোগীদের চিকিৎসায় সংকট তৈরি হয়েছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

আমফান তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন , অভিযোগ জয়প্রকাশের

করোনা প্রকোপের মাঝেই পঙ্গপালের চোখ রাঙানি! কতটা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ভারতের?

English summary
95 percent electricity service will restore today in Kolkata after amphan says CESC
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more