• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কলকাতার সব থেকে বেশি বয়সের করোনা রোগী সুস্থ! বাড়ি ফিরলেন মেডিক্যাল কলেজ থেকে

কলকাতা তথা রাজ্যের সব থেকে বেশি বয়সের করোনায় আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। তাও আবার সরকারি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে। তাঁকে এদিন বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছুটি দেওয়ার কথা।

দ্রুত সুস্থ হয়েছেন রোগী

দ্রুত সুস্থ হয়েছেন রোগী

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মেডিক্যাল সুপার এবং ভাইস প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়েছেন ওই রোগী। গত কয়েকদিন ধরেই রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল ছিল।

১৩ জুন হাসপাতালে ভর্তি

১৩ জুন হাসপাতালে ভর্তি

গত ১৩ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে ৯৪ বছরের ওই পুরুষ ব্যক্তিকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আনা হয়। এর আগে পরিবারের এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট ও জ্বর ছিল। প্রথমে সারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হলেও, রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর তাঁকে কোভিড ওয়ার্ডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ছিল উচ্চ রক্তচাপ

ছিল উচ্চ রক্তচাপ

বয়স একটা সমস্যা ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের মতো কো-মরবিডিটি ছিল তাঁর। আইসিইউতে রাখা হলেও ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন হয়নি তাঁর। তবে কিছুটা সময় তাঁকে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়।

অনেক বয়স্ক রোগী ভর্তি ছিলেন সরকারি হাসপাতালে

অনেক বয়স্ক রোগী ভর্তি ছিলেন সরকারি হাসপাতালে

শুধু এবারই নয়, এর আগে অনেক বয়স্ক করোনা রোগী সরকার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কেউ ভর্তি ছিলেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে, কেউ বা এমআর বাঙুরে। এমআর বাঙুর হাসপাতাল থেকে ৮৮ বছরের এক রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে আইডি হাসপাতাল থেকে ৮২ বছরের এক অবসরপ্রাপ্ত কলেজ অধ্যাপককে সুস্থ করে বাড়িতে পাঠানো হয়।

বিজেপিকে তোপ দাগতে গিয়ে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতার মুখে নারীবিদ্বেষী মন্তব্য, বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে

English summary
94 year old man recovers from Covid-19 in Kolkata's MCH
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more