• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনাণ জয় করলেন কলকাতার ৯৪ বছর বয়সী বৃদ্ধ

  • By অভীক
  • |

করোনার আবহে যখন ঘুম উড়েছে শহরের বয়স্কদের তখন করোনা কে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন উত্তর কলকাতার বিডন স্ট্রিটের বাসিন্দা ৯৪ বছরের লালমোহন শেঠ। করোনা আবহের মধ্যে যে কোন একদিকে মৃত্যু মিছিল, তাতে বয়স্কদের সংখ্যাটাই বেশি তার মধ্যেও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তির করনা জয় করে ঘরে ফিরে আসায় করোনা জয়ে আশার মুখ দেখছে অনেকেই।

করোনাণ জয় করলেন কলকাতার ৯৪ বছর বয়সী বৃদ্ধ

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, করোনা সংক্রামিত হওয়া রোগীদের মধ্যে তিনিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বয়স্ক করোনা রোগী।

বয়স অত্যধিক বেশি হওয়ায় তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তা ছিল চিকিৎসকদের। সব ওষুধ ঠিকমত কাজ করবে কি না, কোনও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে কি না, এমনকি তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা করোনাকে আটকাতে পারবে কি না, এমন হাজারো প্রশ্ন প্রায় প্রত্যেকদিনই চিন্তায় রাখত চিকিৎসকদের।

কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের সব ভয়-চিন্তা-টেনশন দূরে সরিয়ে ভয়ঙ্কর করোনাকে হারিয়ে ঘরে ফিরলেন তিনি। আর দেখিয়ে দিলেন, বয়সের অজুহাতে হার মানার কোনও প্রশ্নই নেই।

তবে প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে করোনা সংক্রামিত হয়েছিলেন তিনি?

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের পরিবারের একজন করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন। তারপর থেকেই বৃদ্ধের কিছু উপসর্গ দেখা যায়। এরপরেই গত ১৩ জুন ওই বৃদ্ধকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংয়ে নিয়ে আসা হয়। তারপরই পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তড়িঘড়ি বৃদ্ধকে পাঠানো হয় সুপার স্পেশালিটি কোভিড ব্লকে।

মেডিক্যাল কলেজের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস জানিয়েছেন, মাত্র ১২ দিনেই করোনাকে পরাজিত করে তিনি এখন জেনারেল ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। নিয়মমত আরও কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রেখে ছুটি দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব ফেরালেন সূর্যকান্ত, করোনা বিশেষজ্ঞ কমিটিতে থাকার প্রস্তাব প্রত্যাখান

বিজেপি করার অভিযোগে মারধর সন্দেশখালিতে, অভিযুক্ত তৃণমূল

English summary
94 year old Kolkata man wins coronavirus battle
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more