• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দুনিয়া জুড়ে দেশে দেশে কেন এত বিক্ষোভ?

  • By Bbc Bengali

বৈষম্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ লেবাননে
Reuters
বৈষম্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ লেবাননে

গত কয়েক সপ্তাহে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের দেশ যেমন লেবানন, স্পেন ও চিলিতে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক বিক্ষোভ। এই আন্দোলনগুলোর ধরণ, সেগুলোর কারণ এবং এগুলোর লক্ষ্যের মধ্যে ফারাক থাকলেও কিছু বিষয়ে বিক্ষোভগুলোতে সাযুজ্য রয়েছে।

হাজার মাইল দূরের কোনো দেশে যখন আন্দোলন শুরু হয়, তখন প্রায় একই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে, কীভাবে আন্দোলনকে সংগঠিত করা যায় এই নিয়ে বিক্ষোভকারীরা একে অপরের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পায়।

আন্দোলনকারীদেরকে কোন বিষয়গুলোকে পথে নামতে বাধ্য করেছে তার একটা চিত্র এখানে তুলে ধরা হলো।

বৈষম্য

যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছে তাদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই নিজের দেশে নিজেকে বঞ্চিত মনে করে এসেছে।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ কোনো সেবার মূল্য বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্ত এই ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

কাশ্মীর নিয়ে সরব মাহাথির মূল্য দিচ্ছেন পাম তেলে?

কিভাবে পদবী হারালেন থাই রাজার সঙ্গী

'শীতের আগেই এক লাখ রোহিঙ্গা যাচ্ছে ভাসানচরে'

ভোলায় হিন্দুদের বাড়ি, মন্দিরে হামলার ঘটনাও ঘটেছিল

গ্রাফিতি, কার্টুন আর দেয়াল লিখন যখন প্রতিবাদের ভাষা

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইরাকে বিক্ষোভ
EPA
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইরাকে বিক্ষোভ

একুয়েডর

এই অক্টোবরেই একুয়েডরে দেখা দেয় প্রবল বিক্ষোভ। সরকারি খরচ কমানোর অংশ হিসেবে সরকার হঠাৎ করেই জ্বালানীতে ভর্তুকি বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।

ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরামর্শে অর্থনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, বহু বছর ধরে চলে আসা এই ভর্তুকি যখন সরকার বন্ধের ঘোষণা দেয় তখনই বিক্ষোভের শুরু।

ভর্তুকি বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের পর দেশটিতে পেট্রোলের দাম অনেক বেড়ে যায়। মূল্যবৃদ্ধির এই ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় বলে জানিয়েছেন অনেকেই।

আদিবাসী গোত্রের বাসিন্দারা আশঙ্কা করছিলেন, জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত ও খাদ্য খরচ বেড়ে যাবে এবং এর বড় কোপটা পড়বে গ্রামীণ জনগণের ওপর।

ফলে, বিক্ষোভকারীরা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে এবং ভর্তুকির দাবীতে আন্দোলনে নেমে রাজপথ বন্ধ করে দেয়, সংসদে হামলে পড়ে এবং নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।

অবশেষে, আন্দোলনের মুখে সরকার পিছু হঠে এবং জ্বালানী তেলে ভর্তুকি বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে।

বার্সেলোনা বিমানবন্দরের বাইরে বিক্ষোভ
Getty Images
বার্সেলোনা বিমানবন্দরের বাইরে বিক্ষোভ

চিলি

চিলিতে আন্দোলন দানা বাঁধার পেছনেও রয়েছে মূল্যবৃদ্ধি। জ্বালানী তেলের উচ্চ মূল্য এবং দেশটির দুর্বল মুদ্রার কারণ দেখিয়ে চিলি সরকার বাস ও মেট্রোর ভাড়া বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু বিক্ষোভকারীদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ছিল গরীবের উপরে সরকারের আরেকটি খাঁড়ার ঘা।

গত শুক্রবারে আন্দোলনকারীরা যখন নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেসময় প্রেসিডেন্ট সেবাস্তিয়ান পিনেরাকে ইতালিয়ান এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় খেতে দেখা যায়। এই ছবিটিকে অনেকেই ব্যাখ্যা করছেন এই বলে যে, চিলির রাজনৈতিক অভিজাতদের সাথে সাধারণ জনতার যে দুস্তর ফারাক দেখা গিয়েছে এটি তারই প্রতিচ্ছবি।

দাক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম ধনী দেশ চিলি। কিন্তু দেশটিতে তীব্রভাবে ধন-বৈষম্য বিরাজমান।

অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্টের যে ৩৬টি দেশ রয়েছে তার মধ্যে চিলিতেই সবচেয়ে বেশি আয় বৈষম্য রয়েছে।

একুয়েডরে যেমন জ্বালানী তেলের ভর্তুকি বন্ধের সিদ্ধান্ত সরকার প্রত্যাহার করেছে, চিলিতেও ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকার বাতিল করেছে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এখন আরো বিবিধ অভিযোগের প্রেক্ষিতে আন্দোলন করছে।

আন্দোলনে অংশ নেয়া এক শিক্ষার্থী রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, 'এটি কেবল মেট্রোর ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে একটা মামুলী বিক্ষোভ নয়। বরং এটি হচ্ছে বহু বছর ধরে গরীবদের উপরে চলে আসা নিপীড়ন ও জুলুমের প্রতিবাদ'।

লেবানন

লেবাননেও বিক্ষোভ ছড়িয়েছে কর আরোপের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে। হোয়াটসঅ্যাপ কলের উপরে কর আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় লেবানিজ সরকার। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যা, বৈষম্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

যদিও ঋণের ভার বাড়ছে, তবু আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠীদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্যাকেজ নিয়ে সরকার নানান অর্থনৈতিক সংস্কার করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সাধারণ মানুষেরা বলছেন, সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণীর বলি হিসেবে তারা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

বৈরুতে বিক্ষোভে অংশ নেয়া আব্দুল্লাহ বলছিলেন, 'শুধু হোয়াটসঅ্যাপের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমরা এখানে আসিনি। আমরা এখানে সব কিছুর প্রতিবাদে এসেছি— জ্বালানি, খাদ্য, রুটি— সবকিছু'।

লন্ডনে বিক্ষোভ
Reuters
লন্ডনে বিক্ষোভ

দুর্নীতি

যত বিক্ষোভ চলছে তার অধিকাংশের কেন্দ্রে রয়েছে সরকারের দুর্নীতি। দুর্নীতির সাথে বৈষম্যের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

লেবাননে বিক্ষোভকারীরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে তাদের যখন জেরবার হচ্ছে তখন দেশের নেতা-নেত্রীরা তাদের পদ-পদবী কাজে লাগিয়ে ঘুষ দুর্নীতিসহ নানান কায়দায় নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া ৫০ বছর বয়সী লেবানীজ নাগরিক রাবাব বলছেন, 'এখানে আমি বহু কিছুই ঘটতে দেখেছি। কিন্তু এমন দুর্নীতিগ্রস্থ সরকার আমি লেবাননে কখনো দেখিনি'।

চলতি সপ্তাহের সোমবারে সরকার একটি সংস্কার প্যাকেজ অনুমোদন দিয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দেবার উপায় হিসেবে, এই প্যাকেজের আওতায় রাজনীতিবিদদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ইরাক

ইরাকেও চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা জানিয়ে এর ইতি টানার আওয়াজ তুলেছে ইরাকি জনতা।

ইরাক সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ, মেধার ভিত্তিতে সরকারী কাজে নিয়োগ না দিয়ে জাতিগত ও অন্যান্য বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, জনগণের টাকার শ্রাদ্ধ করে নেতা-নেত্রীরা নিজেরা এবং তাদের অনুসারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে 'পাবলিক ফান্ড' বা সরকারী কোষাগারের অর্থ কোনো কাজেই আসছে না।

চিলি, হংকং ও লেবাননের বিক্ষোভ
AFP/Getty/Reuters
চিলি, হংকং ও লেবাননের বিক্ষোভ

মিশর

দুর্নীতির অভিযোগে মিশরীয় সরকারের বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

স্পেনে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর ডাকে গত সেপ্টেম্বরে মিশরে বিক্ষোভ দেখা দেয়। মি. আলী মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং সেনাবাহিনীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন।

সরকারি ফান্ডের টাকা প্রেসিডেন্ট সিসি এবং তার সরকার অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলেন মি. আলী। সরকারের কৃচ্ছতা নীতির কারণে ভোগান্তিতে থাকা সাধারণ মানুষের ছিল একই অভিযোগ।

রাজনৈতিক স্বাধীনতা

কোনো কোনো দেশে বিক্ষোভকারীরা চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক স্বাধীনতার অভাবে তারা এক ধরণের বন্দীদশায় থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।

হংকং

সরকারি একটি বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে এই গ্রীষ্মে হংকং-এ বিক্ষোভের সূত্রপাত। বিলটিতে বলা ছিল, কোনো অপরাধী ব্যক্তিকে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চীনের মূল ভূখণ্ডে হস্তান্তর করা যাবে।

হংকং চীনের অংশ হলেও এই স্থানটি বিশেষ স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে। কিন্তু হংকং-এর মানুষের মধ্যে এই বোধ তীব্র হচ্ছে যে, বেইজিং তাদের উপরে আরো বেশি মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চায়।

চিলি ও লেবাননের মতই হংকং-এর বিক্ষোভেও কাজ হয়েছে। বিতর্কিত বিলটি প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তবু বিক্ষোভ এখনো চলমান।

এখন যারা আন্দোলন করছে তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সকল নাগরিকের ভোটাধিকারের দাবি। এছাড়া বিক্ষোভে পুলিশী সহিংসতার স্বাধীন তদন্ত এবং গ্রেফতারকৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি রয়েছে।

তাদের রাজনৈতিক এই কর্মসূচী বিশ্বের আরেক প্রান্তের দেশকেও উদ্বুদ্ধ করেছে।

একুয়েডরে সহিংস প্রতিবাদ
Reuters
একুয়েডরে সহিংস প্রতিবাদ

বার্সেলোনা

কাতালান বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে কারাবন্দী করার প্রতিবাদে স্পেনের বার্সেলোনার রাস্তায় নেমে আসে লাখ লাখ মানুষ।

২০১৭ সালে বার্সেলোনায় যে 'অবৈধ' গণভোট আয়োজন করা এবং স্বাধীনতা ঘোষণার কারণে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

কিন্তু এই রায় ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই জনপ্রিয় একটি অ্যাপের মাধ্যমে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে, হংকং-এ প্রতিবাদকারীদের মতন একই কায়দায়, 'এল পার্ট এয়ারপোর্ট' এলাকায় সকলে জড়ো হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, বিমানবন্দর অভিমুখে যে তরুণেরা আসছিলেন তাদেরই একদল স্লোগান দিয়ে বলছিলেন: 'আমরাও দেখাবো আরেক হংকং'।

পুলিশ যদি জল কামান বা টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাহলে কিভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে সেই বিষয়ে কাতালান বিক্ষোভকারীরা নিজেদের মধ্যে গ্রাফিক্সের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে একে অপরকে সতর্ক করেছে।

এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্সেলোনার বিক্ষোভে অংশ নেয়া একজন বলেন, 'এখন মানুষের রাস্তায় নামতে হবে; সকল বিদ্রোহের সেখানেই শুরু, হংকং-এর দিকে তাকিয়ে দেখুন।'

বলিভিয়া

বিতর্কিত পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যখন নির্বাচনে পুনরায় জয় লাভ করতে যাচ্ছিলো তখন বলিভিয়াতে মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং সংঘর্ষে জড়ায়।

প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ কয় মেয়াদে থাকতে পারবে এই বিষয়ক বিধানকে মি. মোরালেস যখন বাতিল করার পরামর্শ দিয়েছিল ২০১৬ সালে এক গণভোটের মাধ্যমে মানুষ তার সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছিল।

কিন্তু আদালতে গিয়ে মি. মোরালেসের পার্টি নিজেদের পক্ষে রায় পায় এবং টানা চতুর্থ বারের মতন তার আবার প্রেসিডেন্ট হবার পথ উন্মুক্ত হয়।

মিসরেও বিক্ষোভ চলছে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে
AFP
মিসরেও বিক্ষোভ চলছে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে

জলবায়ু পরিবর্তন

বিশ্ব জুড়ে চলতে থাকা বিক্ষোভগুলোর মধ্যে অনেক জায়গায় অন্যতম বিষয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন।

'এক্সটিংশান রেবেলিয়ন' আন্দোলনের অংশ হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে জলবায়ু পরিবর্তন টেকাতে সরকারগুলোর কাছ থেকে আশু পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।

আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স ও নিউজিল্যান্ড

আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স ও নিউজিল্যান্ডের মতন দেশগুলোতেও বিক্ষোভ চলছে।

আন্দোলনকারীরা গ্লু বা আঠা দিয়ে নিজেদেরকে রাস্তা ও গাড়িতে আটকে দিয়ে ব্যস্ত নগর জীবনে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চেয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ান আন্দোলনকারী জেন মর্টন বলেন, 'সরকার যতক্ষণ না জলবায়ু ও বাস্তুসংস্থানকে একটি জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা না দেয় এবং আমাদের বাঁচাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নেয় ততক্ষণ এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই'।

অস্ট্রেলিয়া ও ভারত

১৬ বছর বয়সী সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবেরির প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ-তরুণীরাও স্কুল বয়কট আন্দোলনে অংশ নিচ্ছে।

গতমাসে কয়েক লাখ মানুষ সারা পৃথিবী জুড়ে 'গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক'-এ অংশ নিয়েছে।

প্যাসিফিক আইল্যান্ড থেকে শুরু করে মেলবোর্ন, মুম্বাই, বার্লিন ও নিউ ইয়র্কেও সেই আন্দোলনের ঢেউ লেগেছে।

আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বলছিলেন, 'তোমাদের শিক্ষা দিতেই আমরা স্কুল বয়কট করেছি'।

BBC
English summary
Why so many protests in countries around the world?
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X