• search

কখন একজন কূটনীতিক আসলে একজন গুপ্তচর হয়ে ওঠেন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে বলেছেন, যে ২৩জন রাশিয়ান কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়েছে, তারা আসলে 'অঘোষিত গোয়েন্দা কর্মকর্তা'।

    অন্যকথায় তারা 'গুপ্তচর'।

    কখন একজন কূটনীতিক আসলে একজন গুপ্তচর হয়ে ওঠেন

    এটা হয়তো অনেককে অবাক করতে পারে যে, যারা মনে করেন একজন ভালো কূটনীতিক মানে পরিপাটি একজন ভদ্রলোক, যে কেতাদুরস্ত ভাবে হাত মেলাতে পারে, কয়েকটি ভাষায় কথা বলতে পারে।

    কিন্তু কূটনৈতিক কর্মকর্তা আর গুপ্তচরের মাঝে ফারাকটা কোথায়?

    ''বিশ্বের প্রতিটি দূতাবাসেই গুপ্তচর থাকে'', বলছেন ইউনিভার্সিটি অফ বাকিংহ্যামের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক অ্যান্থনি গ্লেস।

    ''যেহেতু সব দেশই এটা করে থাকে, তাই এখানে একটি অলিখিত বোঝাপড়াও থাকে যে, দূতাবাসের ভেতরে কি হচ্ছে না হচ্ছে, তা নিয়ে ওই দেশের সরকার চোখ বন্ধ করে রাখবে'', তিনি বলছেন।

    কিন্তু এই বোঝাপড়া সেই পর্যন্তই অটুট থাকে, যতক্ষণ না কেউ দেশটির আইন ভঙ্গ করছে।

    যেমনটা ঘটেছে ব্রিটেন সাবেক গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল আর তার মেয়ের ওপর হামলা করার মাধ্যমে।

    তবে অবশ্যই, দূতাবাসের সব কর্মী এসে জড়িত থাকে না।

    আরো পড়ুন:

    কারাগারে মোবাইল সেবা কতটা পরিবর্তন আনবে?

    উত্তর কোরিয়া এবং চীনের নেতাদের গোপন বৈঠক

    সত্যিকারের কূটনীতিকরা তাদের প্রথা মেনেই, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করেন।

    ব্রিটিশ সরকারের কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করলে দূতাবাসের কাজ থাকে মূলত তিন ধরণের।

    রাজনৈতিক: যে দেশে দূতাবাসটি অবস্থিত, তাদের উন্নয়ন নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সরকার ও নিজ দেশের গণমাধ্যমের কাছে সরবরাহ করা।

    বাণিজ্যিক: নিজ দেশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্য দেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহায়তা করা।

    পরামর্শ: নিজ দেশের প্রবাসী নাগরিকদের বিভিন্ন সহায়তা দেয়া এবং ভিসা আবেদন সম্পন্ন করা

    অধ্যাপক গ্লেস বলছেন, ''এগুলো সব সত্যিকারের কূটনীতিকরাই করে থাকেন।''

    '' কিন্তু কিছু কর্মকর্তা কূটনীতিক হিসাবে তালিকাভুক্ত হন, তারা কিন্তু আসলে গোয়েন্দা কর্মকর্তা।"

    যাদের কাছ গোপনে দেশটি থেকে নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা।

    ''তবে সত্যিকারের গোয়েন্দা বা গুপ্তচরের কাজটি করে থাকে একজন এজেন্ট, যাকে হয়তো এর বিনিময়ে অর্থ দেয়া হয়, বা ব্লাকমেইল করা হয় বা হয়তো সে আদর্শগত কারণেই করে থাকে।'' তিনি বলছেন।

    ''দূতাবাসের কর্মকর্তারা ওই এজেন্ট বা এজেন্টদের পরিচালনা করে থাকেন। তারা নিজেরা এসব কাজে সরাসরি জড়িত হন না।''

    এ কারণেই ব্রিটেন আর আরো অন্তত ২৫টি দেশ তাদের দেশে থাকা দূতাবাস থেকৈ রাশিয়ান কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে।

    টেরেসা মে মনে করেন, এরা সবাই গুপ্তচর।

    অধ্যাপক গ্লেস বলছেন, ''আমাকে অনেকে জিজ্ঞাসা করেছে, এসব বহিষ্কারের পর আমরা কি নিরাপদ হতে পেরেছি?''

    ''নিঃসন্দেহে বলা যায়, হ্যাঁ। এটা রাশিয়ার গোয়েন্দা কর্মকাণ্ডের জন্য বড় একটি আঘাত।''

    ''কিন্তু যে এজেন্টদের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হতো, সেই এজেন্টরা কিন্তু থেকেই যাচ্ছেন। দূতাবাসে নতুন কেউ আসবেন, এবং তাদের আবার পরিচালনা করবেন। কারণ এই এজেন্টদের আমরা ধরতে পারিনি।'' বলছেন মি. গ্লেস।

    BBC
    English summary
    When a diplomat actually became a spy

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.