করোনা বিধি লঙ্ঘন, উপেক্ষা সরকারি বিধিনেষধ! এই ব্যক্তিতে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত
করোনা বিধি লঙ্ঘন, উপেক্ষা সরকারি বিধিনেষধ! এই ব্যক্তিতে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত
দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপট কমতে না কমতেই ফের গোটা বিশ্বে চোখ রাঙাতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ। নিত্যনতুন ভ্যারিয়েন্টের হানায় তটস্থ কমবেশি প্রতিটা দেশই। এমতাবস্থায় এবার করোনাভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিল ভিয়েতনামের আদালত। ইতিমধ্যেই এই খবরে সাড়া পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও।

কোভিড দমনে কড়া পদক্ষেপ ভিয়েতনামের
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কোভিড সংক্রমণের শুরু থেকেই কড়া হাতে মহামারির মোকাবিলা করে আসছে ভিয়েতনাম। এমনকী এর আগেও কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কড়া সাজা শোনানো হয়েছে একাধিক নাগরিককে। সূত্রের খবর, মূলত কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম ভাঙার কারণেই কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে লে ভ্যান ত্রি নামের ভিয়েতনামের এই যুবককে। কোভিডবিধি ভঙ্গ করে অনেকের সংস্পর্শে পৌঁছে গিয়েছিলেন ওই যুবক, আর তারই খেসারত এবার দিতে হবে ওই ২৮ বছরের যুবককে।

আসল ঘটনার সূত্রপাত কোথায়?
এদিকে ভিয়েতনামের নিয়ম অনুসারে ভিন্ন কোনও জায়গা থেকে কোনও ব্যক্তি নিজ বাসস্থানে ফিরলে তাঁকে ২১ দিনের কোয়ারান্টাইনে থাকতে হয়। কিন্তু এই যুবক সেই নিয়ম মানেননি। অভিযোগ গত ৭ জুলাই ভিয়েতনামের হো চি মিন শহর থেকে নিজের শহর কা মাউ-তে ফেরেন লে ভ্যান ত্রি। এদিকে হো চি মিন শহরে তখন করোনার দাপট আকাশছোঁয়া। লে ভ্যান নিজেও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানা যায়।

সরকারের নির্দেশিকা অমান্য করার জের
কিন্তু নিজ শঙরে পর তিনি সরকার নির্দেশিত ২১ দিনের হোম-কোয়রান্টিন অমান্য করেন। বেরিয়ে পড়েন শহরের রাস্তায়। আর সেই কারণেই শাস্তি পেতে হল তাঁকে। তবে এই তালিকায় তিনি একা নন। কার্ত একই কারণে আরও দুই ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একজন ১৮ মাস এবং অন্যজনকে ২ বছরের জন্য জেলে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। কোভিডের প্রথম ঢেউয়ে সংক্রমণকে দারুণ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছিল ভিয়েতনাম। দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল গোটা বিশ্বজুড়েই।

লঘু পাপে গুরুদণ্ড?
এদিকে কড়া প্রথম ডউ নিয়ন্ত্রণ করলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আর তাতেই উদ্বেগ বেড়েছিল সরকারের। এদিকে সে দেশে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও করোনা বিধি অমান্যের অভিযোগে ৫ বছরের শাস্তি কতটা যুক্তিযুক্ত সেই প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলছেন লঘু পাপে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে।












Click it and Unblock the Notifications