কান ফাটানো বুলেটের আওয়াজ, যেন মৃত্যুর হাতছানি, ফ্লোরিডা স্কুল শ্যুটিং-এর ভিডিও দেখুন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বন্দুকবাজী কতটা আতঙ্কের হতে পারে! সৌভাগ্য বলতে হবে আমাদের দেশকে, কারণ এখন পর্যন্ত ভারতের কোনও স্কুলে বন্দুক হাতে হামলা করাটা নিত্যকার ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়নি। জানুয়ারি মাসে আমাদের দেশের এক স্কুলে অধ্যক্ষকাকে গুলি করে খুন করেছিল এক ছাত্র। কিন্তু, আমেরিকার বুকে স্কুলে বন্দুকহাতে ঢুকে পড়াটা যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরে জঙ্গি হামলায় আমেরিকায় যত না মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার থেকে বেশি মানুষ মারা গিয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দুক বাজদের হামলায়। 

    মৃত্যুর করাল ছায়ার মাঝে বেঁচে থাকা আঁকুতি, ভাইরাল হল ভিডিও

    [আরও পড়ুন: ফের বন্দুকবাজের হামলা আমেরিকায়, ফ্লোরিডার স্কুলে হানায় মৃত কমপক্ষে ১৭ ]

    ফ্লোরিডার মারজুরি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুলে যে ভয়ঙ্কর হামলা হয়েছে তার কিছু ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে কতটা ভয়ঙ্কর ছিল বন্দুকবাজের হামলা। কান ফাটিয়ে দেওয়া আওয়াজে ডগলাস হাইস্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা আঁতকে উঠছিল। এদের অধিকাংশই বন্দুকবাজের নিশানা থেকে বাঁচতে কোনও না কোনও ক্লাসরুমে নিজেদের বন্দি করে নিয়েছিল। কিন্তু, মৃত্যুর আতঙ্ক সারাক্ষণই নেমে আসছিল করাল ছায়ার মতো। একটা করে গুলি চালানোর শব্দ আর ছাত্র-ছাত্রীদের মুখ থেকে দুটি শব্দ- 'ওহ! শিট!' এবং 'ওহ! গড'। 

    বন্দুকের নিশানা থেকে বেঁচে ফিরতে পারব কি না সেটাই ভাবতে পারছিলাম না। শরীরটা যেন অসাড় হয়ে গিয়েছিল। ফ্লোরিডার মারজুরি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুলের বছর পনের ছাত্রী মিলান পারোডি এই কথাগুলো বলছিল। প্রথমে কিছু বুঝতে পারেনি মিলান। ক্লাসের বাইরে বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিল। বন্দুকের আওয়াজে সম্বিৎ ফেরে। মিলানের কথায় ফায়ার অ্যালার্ম না বাজাতে আরও অনেকেই বুঝতে পারেনি যে বন্দুকবাজ হামলা করেছে। মিলানের ভাইও একই স্কুলে পড়ে। মিলান ও আরও কিছু ছাত্র-ছাত্রী দৌড়ে গিয়ে একটি ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ে দরজা লক করে দেয়। পরে মিলান জানতে পারে তার ভাই রোমানও একটি ক্লাসরুমে লুকিয়ে ছিল। মিলান জানিয়েছে, কেউ একজন বাইরে থেকে এসে বহুক্ষণ ধরে দরজা ধাক্কা দিয়েছিল। এমনকী, সে ক্লাসরুমে আশ্রয় চায় বলেও কাকুতি মিনতি করে। কিন্তু, বন্দুকবাজের চাল হতে পারে ভেবে কেউ দরজা খোলেনি। 

    রোমানের পাঠানো একটি ভিডিও-তে মিলান ক্লাসরুমের মধ্যে এক জনের দেহও পড়ে থাকতে দেখে। ফ্লোরিডা স্কুল শ্যুটিং-এ আরও একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে এসেছে। এই ভিডিও-টিতে দেখা গিয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা কতটা আতঙ্কগ্রস্ত ছিল। ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে সোয়াট বাহিনী ক্লাসরুমে ঢুকতেই আতঙ্কে হাত তুলে ফেলে সকলে। একটু পরে সকলেই বুঝতে পারে এটা সোয়াট। তাদের উদ্ধার করতে এসেছে। তখন যেন সকলে ধরে প্রাণ ফেরে।

    https://www.thedailybeast.com/parkland-florida-school-shooting-stoneman-douglas-high?via=newsletter&source=PMDigestOrig_ABTest

    মিলান আরও জানিয়েছে তার এক বন্ধু গুলি চলার সময় দোতালায় ছিল। সেই বন্ধু নাকি একটি মৃতদেহের তলায় নিজেকে লুকিয়ে নিয়েছিল। পুলিশ সেই বন্দুর বয়ান নথিবদ্ধ করেছে। এবং তার পোশাকও নাকি পুলিশ নমুনা হিসাবে সংগ্রহ করেছে। মিলানের সেই বন্ধু মৃতদেহের তলায় লুকিয়ে থাকার সময় বন্দুকবাজকেও দেখেছে। 

    আর এক ছাত্র বছর পনের-র জিওভানি ভিলসান্ত জানিয়েছে মুহূর্তের মধ্যে সে তিন জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মেঝেতে পড়ে যেতে দেখে। এরপরই সে প্রাণপনে দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পিছন থেকে তখনও ভেসে আসছিল একের পর এক গুলির আওয়াজ। 

    এদিকে, ব্রডওয়ার্ড কান্ট্রি শেরিফ স্কট ইজরায়েল জানিয়েছেন হামলাকারী নিকোলাস ডে জিসাস ক্রুজ মারজুনি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র। বছর উনিসের ক্রুজের আচার-আচরণ নিয়ে বরাবরই স্কুলের চৌহদ্দিতে নানা অভিযোগ ছিল। ছাত্র হিসাবে সে স্কুলে কোনদিনই জনপ্রিয় ছিল না। 

    গুলি চালানোর পর হেঁটে স্কুল থেকে পালানোর চেষ্টা করে ক্রুজ। তখনই তাকে ধরে ফেলে পুলিশ। 

    English summary
    Description- Students are horrified. They do not want to remember the incident which caught them into the fear of death. Some students had captured the video at the time of shooting. Now these videos have created furor on the internet.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more