করোনা ভাইরাস রুখতে মোদীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, বরাদ্দ ২.৯ মিলিয়ন ডলার

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ লাগাম ছাড়াচ্ছে ভারতে। আর এই অবস্থায় ভারতের পাশে দাঁড়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। করোনা ভাইরাস নামক মারাত্মক এই ভাইরাসের সঙ্গে যুঝতে নরেন্দ্র মোদী প্রশাসনকে ২.৯ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভারত ছাড়া ৬৪টি দেশকেও আর্থিক সাহায্য

ভারত ছাড়া ৬৪টি দেশকেও আর্থিক সাহায্য

এদিকে ভারত ছাড়া বিশ্বের আরও ৬৪টি দেশের জন্যে মোট ১৭.৪ কোটি ডলার অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এর আগে গত ফেব্রুারিতে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোকে আর্থিক সাহায্য করার জন্যে ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। এরপর ফের এই অতিরিক্তি অর্থ সাহায্যের ঘোষণা করল তারা।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির উপর বিশেষ নজর আমেরিকার

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির উপর বিশেষ নজর আমেরিকার

ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির উপর বিশেষ নজর দিয়েছে আমেরিকা। ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের মতো দেশকেও অর্থ সাহায্য করার কথা ঘোষণা করেছে তারা। সেই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা ভাইরাস কীভাবে এত ছড়াচ্ছে ও তা প্রতিরোধের জন্যে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা নির্ধারণ করতে একটি আলাদা গবেষক দলও তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলিতে ব্যবহার হবে এই অর্থ

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলিতে ব্যবহার হবে এই অর্থ

এদিকে ভারতকে বর্তমানে যে ২.৯ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা করার ঘোষণা করেছে ট্রাম্পের দেশ, তার প্রায় পুরোটাই ব্যবহার করা হবে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলি সহ বিভিন্ন চিকিৎসা বিভাগ এবং পরীক্ষাগারগুলির জন্য।

বরাদ্দ থেকে সাহায্য পাবে বিজ্ঞানীরা

বরাদ্দ থেকে সাহায্য পাবে বিজ্ঞানীরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ দফতর জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জন্যে দেশজুড়ে ল্যাবরেটরি তৈরি করা, করোনা সংক্রমণের লক্ষণযুক্ত রোগীদের উপর বিশেষ নজরদারি করতে আলাদা করে কেন্দ্র তৈরি করতে ব্যবহার হবে ওই বিপুল অর্থ। পাশাপাশি এই ভাইরাসকে দমাতে বৈজ্ঞানিকরা যে নিরন্তর গবেষণা করে চলেছেন তার সহায়তা করার জন্যও বরাদ্দ ২.৯ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে বেশ কিছু অর্থ ব্যবহার করা হবে।

কেন এই অর্থ সাহায্য?

কেন এই অর্থ সাহায্য?

ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বনি গ্লিক এই বিষয়ে বলেন, 'বেশ কয়েক দশক ধরে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশকে সাহায্য করার কাজও করে আসছে এই দেশ। যেখানেই কোনও মারণ রোগ দেখা দিয়েছে, আমেরিকা সাহায্য পাঠিয়েছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।'

রাষ্ট্রসংঘ ও হু-কে ২০১৯ সালে দেওয়া মার্কিন বরাদ্দ

রাষ্ট্রসংঘ ও হু-কে ২০১৯ সালে দেওয়া মার্কিন বরাদ্দ

২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের চিল্ডরেনস ফান্ডকে এ দান করা হয়েছিল ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী এজেন্সিকে দেওয়া হয়েছে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যেহেতু উদ্বাস্তুদের কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের চেয়ে বেশি, তাই এই অর্থ তাঁদের সাহায্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া ২০১৯ সালে হু-কে ৪০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+