মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পেনসিলভেনিয়াই নির্দিষ্ট করতে পারে ভোট ভাগ্য! কী ঘটেছে সেখানে
ফের একবার কৃষ্ণাঙ্গের হত্য়াকাণ্ড । এবারও এই বর্ণবিদ্বেষের ঘটনা নির্বাচনের মধ্যে থাকা আমেরিকায়। পেনসিলভেনিয়াতে নতুন করে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে ফের আমেরিকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যার ফলে বুধবার রাতেউ অগ্নিগর্ভ হয় ফিলাদেলফিয়া।

আমেরিকা ভোটের বহু আগে থেকেই বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে উত্তাল ছিল। কয়েক মাস আগে আমেরিকা কৃ্ষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু ঘিরে রীতিমতো তোলপাড় হতে থাকে। গোটা দেশ করোনার আবহেও প্রতিবাদের ঝড় তোলে রাস্তায়। এদিকে, পেনসিলভেনিয়ার ঘটনায় এই মুহূর্তে আমেরিকায় দুটি পন্থী মানুষের বিভাজন দেখা যাচ্ছে।
একদিকে ট্রাম্প পন্থীরা, যাঁরা কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে। ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন যে যাঁরা আইনের শাসন ধরে রাখছেন, তিনি তাঁদের পক্ষে। অন্যদিকে বাইডেনের দাবি,কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা নিয়ে আমেরিকায় যা ঘটছে তা যুক্তিযুক্তি। কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে মানুষের এই ক্ষোভ স্বতঃস্ফূর্ত বলে তিনি দাবি করেছেন।
এর আহে ২০১৬ সালের ভোটো পেনসিলভেনিয়া ট্রাম্পকে জিতিয়েছিল। ২০১৬সালে ৩.৫ মিলিয়ন ভোটার ভোট দেননি। সেই বার৪৪ ২৯২ ভোটো জিতে যান ট্রাম্প । তবে এবার জমি শক্ত। তবে পেনসিলভেনিয়ায় শুধু কৃষ্ণাঙ্গ হত্যাই বড় ইস্যু নয়। এই এলাকায় আমেরিকার ২০ শতাংশ বেকারত্ব রয়েছে। পাশাপাশি, করোনার জেরে প্রবলহারে মৃতের সংখ্যা এই এলাকা থেকে উঠে এসেছে। এদিকে, আমেরিকায় এই সপ্তাহে করোনার দৈনিক আক্রান্ত ৭০ হাজারের ঘর ছুঁতে পারে বলে উদ্বেগ। এমন পরিস্থিতিতে পেনসিলভেনিয়া একটি বড় ফ্যাক্টর বাইডেন ও ট্রাম্পে সামনে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এই পেনসিলভেনিয়ার ভোট শুধুমাত্র বাইডেন বনাম ট্রাম্প নয়। একাধিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের দাবি, বাইডেন এখানে নিজের ভোট প্রচারে সেভাবে বর্ণবিদ্বেষ থেকে শুরু করে বেকারত্ব নিয়ে জোরালো বার্তা রাখতে পারেননি। ফলে পেনসিলভেনিয়ার অন্তর্বর্তী মানুষ ডেমোক্রেট বনাম রিপাবলিকান হিসাবে এই নির্বাচনকে দেখছেন না। এখানে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিঠকই অধিকারের লড়াই বাসিন্দাদের কাছে। বাইডেন তখতে আসলেও তাঁরা একইভাবে লড়াই করবেন বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications