• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টেও এবার পরিযায়ী সঙ্কটের উল্লেখ! ক্ষোভ প্রকাশ ভারতের

  • |

এবার রাষ্ট্রপুঞ্জের গলাতেও ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার কথা। চলতি সপ্তাহের প্রথমার্ধে জেনেভায় আয়োজিত হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের ৪৫তম বার্ষিক সম্মেলন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে একাধিকবার উঠে আসে এই পরিযায়ী সঙ্কটের কথা।

চরম দারিদ্র্যতার মাঝে প্রায় ১০ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক

চরম দারিদ্র্যতার মাঝে প্রায় ১০ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক

রাষ্ট্রপুঞ্জে লকডাউনের সময়ে ভারতের প্রায় ১০কোটি পরিযায়ী শ্রমিক চরম দারিদ্র্যের মাঝেও পুলিশী বর্বরতা ও অনাহারের সম্মুখীন হয়েছে বলে জানাচ্ছে র মানবাধিকার কমিশনের (ইউএনএইচআরসি) রিপোর্ট। যদিও এই রিপোর্ট পেশ হতেই রাষ্ট্রপুঞ্জে থাকা ভারতীয় প্রতিনিধির তরফে মৃদু ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। ওই রিপোর্টের প্রত্যুত্তরে রাষ্ট্রপুঞ্জে থাকা ভারতের আধিকারিক স্পষ্টই জানিয়েছেন, কোনও দেশের সম্বন্ধে রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে সেই দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা অবশ্য কাম্য।

কি বলছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট

কি বলছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট

জাতিপুঞ্জে 'ইমপ্যাক্ট অফ করোনাভাইরাস প্যান্ডেমিক অন কনটেম্পোরারি ফর্মস অফ স্লেভারি অ্যান্ড স্লেভারি-লাইক প্র্যাকটিশেস' শীর্ষক ওই রিপোর্ট পেশ করেছেন তোমায়া ওবোকাতা। রিপোর্ট অনুযায়ী, "ভারতে করোনা আবহে লকডাউনের মাঝে ১০কোটির বেশি হত-দরিদ্র অভিবাসী শ্রমিক দীর্ঘ রাস্তা হেঁটে বাড়ি ফিরতে হয়েছে। কিন্তু রোজগারের অভাব ও ধারদেনার সঙ্গে উপরি পাওনা হিসাবে জুটেছে পুলিশের বর্বরতা। তার সঙ্গে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় তাদের বিভিন্ন প্রকার বঞ্চনারও শিকার হতে হয়। রিপোর্ট আরও বলছে, লকডাউনে ইউরোপে 'রোমা' উপজাতি ও নেপালে দলিতদের উপর অত্যাচারও বহুগুণ বেড়েছে।

২০ পাতার রিপোর্টে ভারতের সমালোচনা

২০ পাতার রিপোর্টে ভারতের সমালোচনা

রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন (আইএলও)-এর হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের প্রায় ১৬০ কোটি অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা এই মুহূর্তে চরম দারিদ্রে ভুগছেন। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে লকডাউনের জেরে তীব্র ক্ষতির মুখে পড়েছে অর্থনীতি, আর তাই বিভিন্ন শ্রম আইনের বিধিনিষেধও লঘু করা হয়েছে। ফলত চিন, ভারত, ভিয়েতনাম, সৌদি আরব এবং ল্যাতিন আমেরিকার কিছু দেশে কর্মীদের উপর বিভিন্ন পরিসরে আঘাত নেমে আসছে। অতিরিক্ত সময় কাজের বদলে মিলছে ন্যূনতম মাইনে, ফলে অনাহারে ভুগছে শ্রমিকদের একাংশ।

১৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৬ই অক্টোবর পর্যন্ত চলবে সম্মেলন

১৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৬ই অক্টোবর পর্যন্ত চলবে সম্মেলন

আগামী ৬ই অক্টোবর শেষ হবে জেনেভার এই সম্মেলন। আর তার আগেই শ্রমিক সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট হয়েছে জাতিপুঞ্জ। রিপোর্ট অনুযায়ী, "ন্যূনতম রোজগারের দেশগুলিতে প্রায় ৯০% অসংগঠিত ক্ষেত্র ও মাঝারি রোজগারের দেশগুলিতে ৬৭% শ্রমিক ঋণের বোঝায় জর্জরিত হচ্ছেন।" পাকিস্তানের ইট শিল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মীরা ইতিমধ্যেই দেনার ভারে ডুবে গিয়েছেন বলে খবর আন্তর্জাতিক সূত্রের। ভিন্ন ভিন্ন দেশের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রপুঞ্জের মত অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মী, গৃহহীন মানুষ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ও শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষেরাই করোনাকালে সর্বাধিক সমস্যার মধ্যে পড়েছেন।

কি বলছে ভারত

কি বলছে ভারত

এদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের সম্মেলনে ওবোকাতা জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে মরিতানিয়েও, ভারত, নেপাল, ভিয়েতনাম, কাতার, কুয়েত, ফিজি, শ্রীলঙ্কা ও কানাডায় ভ্রমণের অনুমতি চেয়েছেন। রিপোর্টে ভারত সরকারকে তুলোধোনা করা হলেও জবাবে ভারতের তরফে ফার্স্ট সেক্রেটারি বিমর্ষ আরয়ান জানিয়েছেন, "আমরা জানি কোভিডের জেরে বিশ্বের প্রত্যেক দেশের প্রায় সমস্ত সমাজের মানুষই চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। সেখানে ভারতেও শ্রমিকরা চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটিয়েছেন। কিন্তু আমাদের মনে হয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই তথ্য পেশ করার পূর্বে ভারত সরকারের সাথে আলোচনা করে নিলে রিপোর্টে ভুলের সম্ভাবনা এড়ানো যেত।" এদিকে শ্রমিক সমস্যা দূরীকরণে রাষ্ট্রপুঞ্জের তহবিলে ভারত প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন ডলার দানও করেছে বলে জানা যাচ্ছে।

English summary
UN report mentions the plight of migrant workers in India
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X