সম্মুখসমরে ইরান-আমেরিকা, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন তিন হাজার মার্কিন সেনা
শুক্রবার ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রকেট হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে। সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নেবে বলে পাল্টা হুমকি দিতে থাকে ইরান। বর্তমানে এর জেরে বিশ্ববাসীর মনে ভয় ঢুকেছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে ৩০০০ হাজারেরও বেশি সেনা মোতায়েন করলো আমেরিকা।

সোলাইমানির মৃত্যুর প্রতিবাদে প্রায় কয়েক হাজার লোক বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস চত্বরে হামলা চালায় বলে জানা যাচ্ছে। এই অতর্কিত হামলার পরেই মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয় তিন হাজার মার্কিন সেনা। যদিও আমেরিকার সাথে ইরানের উত্তেজনার পারদ চড়ছিলো বহু মাস ধরেই। গত সপ্তাহেও কুয়েতে প্রায় ৭৫০ সেনা পাঠায় যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার ওপর ইরান হামলা চালাতে পারে এই আশঙ্কায় গত বছরের মে মাস থেকেই ১৪০০০ অতিরিক্ত সেনা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করেছিল আমেরিকা।
সোলাইমানি হত্যা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান “সোলাইমানিকে আরও আগে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। সোলাইমানি দীর্ঘদিন ধরে বহু আমেরিকানকে হত্যা করেছে এবং আমেরিকার উপর হামলার ছক ও কষ ছিলো।”
অন্যদিকে আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রকের সেক্রেটারি মাইক পম্পেও জানিয়েছেন যে শুক্রবার তিনি আফগানিস্তান, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং পাকিস্তানের সাথে কথাও বলেছেন এই বিষয়ে। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা বিরোধী প্রচার তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে ইরাকে বসবাসকারী সমস্ত প্রবাসী আমেরিকানদের দ্রুত ইরাক ছাড়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন।












Click it and Unblock the Notifications