• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শেখ হাসিনার ওপর হামলাকারীকে জেলেই পাঠাল আদালত

  • By Ananya Pratim
  • |
হাসিনা
ঢাকা, ২০ মার্চ: শেখ হাসিনাকে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্ত নাজমুল মকসুদ ওরফে মুরাদকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ এই নির্দেশ দেন।

নাজমুল মকসুদ ওরফে মুরাদ ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট গভীর রাতে হামলা চালায় শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির বাড়িতে। সঙ্গে ছিল আরও ৭-৮ জন দুর্বৃত্ত। বাড়ি লক্ষ করে তারা গুলি চালায় ও বোমা ছোড়ে। পুলিশি তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যান হাসিনা। তাঁকে খুন করার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই ঘটনায় ২৪ আগস্ট ধানমণ্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘদিন তদন্তের পর ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে আদালতে। তাতে ১৩ নম্বর নামটি ছিল মুরাদের।

প্রসঙ্গত, পুলিশি তদন্ত চলাকালীনই মুরাদ গ্রেফতার হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। ওই বছরের ৩ অক্টোবর সে জামিন পেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যায়। সেখানে ব্যবসা শুরু করে। তাকে পাকড়াও করতে বাংলাদেশ সরকারের তরফে অনুরোধ করা হয়েছিল ইন্টারপোলকে। ২০১২ সালে মুরাদ সেখানে এফবিআইয়ের হাতে ধরা পড়ে। শেষ পর্যন্ত গতকাল দুপুরে বিশেষ উড়ানে তাকে বাংলাদেশ নিয়ে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তুলে দেওয়া হয় এ দেশের পুলিশের হাতে।

বাকি আসামিদের মধ্যে জর্জ, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, ফ্রিডম সোহেল ওরফে সোহেল আগেই গ্রেফতার হয়েছে। জামিন পেয়ে মুক্ত অবস্থায় রয়েছে হুমায়ুন কবীর, শাহজাহান ওরফে বালু, খন্দকার আমিরুল ইসলাম ওরফে কাজল, রেজাউল ইসলাম খান ওরফে ফারুক। ফাঁসি হয়েছে ফারুক রহমান, বজলুল হুদার। এই দু'জন বঙ্গবন্ধু খুনের ষড়যন্ত্রেও জড়িত ছিল।

মুরাদের বিরুদ্ধে আরও দু'টি পৃথক মামলা রয়েছে। একটি হল মতিঝিলে পলাশ হত্যা মামলা। ১৯৯৫ সালে পলাশ খুন হন। সেই ঘটনায় অভিযোগ রুজু হয় মুরাদের বিরুদ্ধে। ওই বছরই শাহজাহানপুরে একটি তোলাবাজির ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে তার নাম। এই মামলা দু'টিও শেষ হয়নি।

English summary
Sheikh Hasina's attacker Murad brought to Bangladesh, sent to jail
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more