• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

হিন্দু–মুসলিম পুণ্যার্থীদের জন্য খোলা হোক খোকরাপাড় সীমান্ত, ইমরানকে আর্জি ভয়েস অফ করাচির

শিখ পুণ্যার্থীদের জন্য কর্তারপুর করিডর খুলে দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এর জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবীদের দল। তাঁরা এবার পাক প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন যে ভারতের সঙ্গে একজোট হয়ে পাকিস্তান খোকরাপাড়–মুনাবাও সীমান্তটিও খুলে দিক হিন্দু–মুসলিম তীর্থযাত্রীদের জন্য।

হিন্দু–মুসলিম পুণ্যার্থীদের জন্য খোলা হোক খোকরাপাড় সীমান্ত, ইমরানকে আর্জি ভয়েস অফ করাচির


ভয়েস অফ করাচি জানিয়েছে, খোকরাপাড়–সীমান্ত খুলে গেলে সন্ত মইনুদ্দিন চিশতির লক্ষাধিক মুসলিম অনুগামীরা ভারতের রাজস্থানের আজমীর শরিফ দরগাতে আসতে পারবেন। এর পাশাপাশি এই সীমান্ত দিয়েই হিন্দু পুণ্যার্থীরা পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত হিঙ্গলাজ মন্দিরে প্রার্থনার জন্য যেতে পারবেন। মোহাজির গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা, যাঁরা উর্দু–ভাষী ভারতীয় মুসলিম, দেশভাগের পর তাঁরা পাকিস্তানে গিয়ে বসবাস করেন। তাঁদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ রয়েছে, '‌পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির দুর্দশা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’‌ পাক প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে এই দলের সদস্য নাদিম নুসরত বলেন, '‌আপনার সরকার শিখ পুণ্যার্থীদের জন্য কর্তারপুর করিডর খুলে যে মহানুভবতা দেখিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়, শিখরা এবার তাঁদের পবিত্র জায়গায় যেতে পারবেন।

আমি আপনার কাছে সন্ত মইনুদ্দিন চিশতির মুসলিম অনুগামী ও হিঙ্গলাজ দেবীর সব হিন্দু ভক্তদের হয়ে অনুরোধ করব যে খোকরাপাড়–মুনাবো সীমান্ত খুলে একই মহানুভবতা আবার দেখান।’‌ নুসরত আরও বলেন, 'আপনার সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া শুধুমাত্র লক্ষ লক্ষ মন জয় করবে তা নয়, এটি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগকে আরও সুগম করে এই অঞ্চলে উত্তেজনা লাঘব করতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, যদি এটি করতে আপনি ব্যর্থ হন তবে যুক্তিসঙ্গতভাবে কর্তারপুর করিডর খোলার পিছনে আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুজব এবং জল্পনা–কল্পনাকে আরও জোরদার করবে।’‌‌

তিনি জানান, লক্ষ লক্ষ মুসলিম এবং হিন্দু পাকিস্তানে বসবাস করেন এবং ১৯৪৭ সাল থেকে এই দু’‌টি জায়গায় প্রবেশ করা নিয়ে কঠিনতার সম্মুখীন হতে হয়েছে ভারতকে। নুসরত বলেন, '‌কর্তারপুর করিডরের ক্ষেত্রে যে দয়া দেখিয়েছেন ভাগ্যক্রমে উভয় সমস্যাই একইভাবে সমাধান করা যেতে পারে।’‌ পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের শহরে ভারতের বহু মুসলিম বসবাস করেন, যাঁরা গভীরভাবে হজরত মইনুদ্দিন চিশতির অনুগামী এবং ভারতের মসজিদে যেতে চান। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সীমান্ত ভারতের রাজস্থানের সঙ্গে ভাগ করা রয়েছে এবং খোকরাপুর সীমান্ত থেকে আজমীর শরিফ যেতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।

English summary
he opening of the Khokhrapar border would facilitate millions of followers of Saint Moinuddin Chishti to visit Dargah Ajmer Sharif in India's Rajasthan state. It will also allow Hindu pilgrims to visit the Hinglaj Mandir in Balochistan province of Pakistan
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X