• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বাংলায় ১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী ছিলেন 'বর্ণবিদ্বেষী' উইনস্টন চার্চিল!

জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পরই আমেরিকা জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন, বিক্ষোভ। শুধু আমেরিকা নয়, বর্ণবাদবিরোধী এই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে আরও বিভিন্ন দেশে। এই সব চাপ সামলাতেই এবার বড় পদক্ষেপের ঘোষণা করা হল। গণআন্দোলনের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লন্ডনে চার্চিলের মূর্তি বিকৃত

লন্ডনে চার্চিলের মূর্তি বিকৃত

এহেন পরিস্থিতি রবিবার গভীর রাতে লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কোয়ারে চার্চিলের মূর্তিটি বিকৃত করা হয়। কালো মার্কার পেন দিয়ে চার্চিলের নামটি কেটে দেওয়া হয়েছে এবং তার তলায় লিখে দেওয়া হয়েছে 'ওয়াজ আ রেসিস্ট' অর্থাৎ চার্চিল বর্ণবিদ্বেষী ছিলেন। পরে অবশ্য তা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়।

চার্চিল বর্ণবিদ্বেষী ও ভারত বিদ্বেষী ছিলেন

চার্চিল বর্ণবিদ্বেষী ও ভারত বিদ্বেষী ছিলেন

চার্চিলের মূর্তি বিকৃত করার খবর পেয়ে টুইটারে নেটিজেনরা বঙ্গের দুর্ভিক্ষে তাঁর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন এবং বলেন, মূর্তি বিকৃত করার ব্যাপারটি ঐতিহাসিক দিক থেকে ভুল নয়। চার্চিল যে একজন বর্ণবিদ্বেষী ও ভারত বিদ্বেষী ছিলেন তা মোটামুটি ওপেন সিক্রেট।

বাংলায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের কারণ

বাংলায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের কারণ

বাংলায় ১৯৪৩ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের জন্য শুধু খরা দায়ী ছিল না। 'পঞ্চাশের মন্বন্তর' নামে পরিচিত এই দুর্ভিক্ষের জন্য ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের নীতি বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে। এই বিষয়ে কেয়কদিন আগেই ভারতের ইতিহাসে ভয়াবহ এই দুর্ভিক্ষ নিয়ে এক গবেষণায় এ তথ্য মিলেছে।

পঞ্চাশের মন্বন্তর নিয়ে গবেষণা

পঞ্চাশের মন্বন্তর নিয়ে গবেষণা

সেই গবেষণায় বলা হয়েছে, তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের অযৌক্তিক নীতির কারণেই হয়েছে সেই দুর্ভিক্ষ। ওই দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায় ৩০ লাখ মানুষ। ১৮৭৩ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত হওয়া ছয়টি দুর্ভিক্ষকালীন আবহাওয়া ও জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই গবেষণা চালানো হয়। কোন দুর্ভিক্ষের সময় মাটির আর্দ্রতা কেমন ছিল, গবেষকরা তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত টেনেছেন।

১৯৪৩ সালে গড় বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকই ছিল

১৯৪৩ সালে গড় বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকই ছিল

সেখানে দেখা যায়, ওই ছয় দুর্ভিক্ষের পাঁচটির প্রধান কারণ মাটির আর্দ্রতার পরিমাণ ভয়াবহভাবে কমে যাওয়া। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণ খরা নয়। দুর্ভিক্ষের তিন বছর আগেই ভারতের পূর্বাঞ্চল ১৯৪০ সালের বেশিরভাগ সময় ছিল খরার কবলে। ১৯৪১ সালে এসে অবস্থা ভয়াবহ রূপ নেয়। যে বছর ওই দুর্ভিক্ষ প্রবল আকার নেয়। এদিকে সেই ১৯৪৩ সালে গড় বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকই ছিল।

চার্চিলের বিদ্রূপ

চার্চিলের বিদ্রূপ

জার্মানিতে বসবাসরত বাঙালি মধুশ্রী মুখার্জি ও তার সহযোগীদের লেখা 'চার্চিলস সিক্রেট ওয়ার'-এ দাবি করা হয়, চার্চিল নিজে সরাসরি বাংলার মন্বন্তরের জন্য দায়ী ছিলেন। বইতে উল্লেখ করা হয়, চার্চিল একসময় বিদ্রূপ করে বলেছিলেন, দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী ভারতীয় 'খরগোশের মতো সন্তান প্রসব। তা ছাড়া খাদ্য সংকট এত তীব্র হলে মহাত্মা গান্ধী বেঁচে আছেন কীভাবে?

উত্তপ্ত হাজরা মোড়, বিক্ষোভ বিজেপি মহিলা যুব মোর্চার, সামিল অগ্নিমিত্রা পল

কেন্দ্রে যে সার্কাস চলছে, আর তাতে একাধিক জোকার সামিল হয়েছে, রাজনাথকে পাল্টা কংগ্রেসের

English summary
Racist Winston Churchill's Role in 1943 Bengal Famine Which Killed Millions
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X