• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ছাত্র রাজনীতি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে বিতর্ক

  • By Bbc Bengali

বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক আবার শুরু হয়েছে। একদিকে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে বিতর্ক এবং সেখানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা। অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল নিয়ে অনিশ্চয়তা।

তবে শুধু ছাত্র রাজনীতি নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিয়েও অনেকে উদ্বিগ্ন। যেমন লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:

''বৃহস্পতিবার ১২ই সেপ্টেম্বর 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশে ক্রমাগত অবনতি' শীর্ষক প্রতিবেদন আপনাদের ওয়েবসাইটে পড়লাম। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী করা হয় না এবং সেটি করার প্রয়োজনও বোধ করে না।

''বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, শিক্ষার গুগত মান ও শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যদি চোখে পড়ার মতো অবনতি ঘটে, তবে সেটা অবশ্যই উদ্বেগের এবং শিক্ষার মান অবনতির জন্য এগুলোই যথেষ্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমি সত্যিই লজ্জা বোধ করছি।''

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এক সময় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হতো। কিন্তু আজ কি কেউ ভুলেও সেটা বলবে? বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় অক্সফোর্ড এক নম্বরে আর ঢাকা এক হাজার ছিয়াত্তর নম্বরে। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের করে তুলতে শুধু ব্যাপক প্রশাসনিক সংস্কার নয়, ক্যাম্পাসে বিদ্যমান সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই কাজটি শুরু করবে কে? আপনাকে ধন্যবাদ।

ছাত্র রাজনীতি নিয়ে লিখেছেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান:

''ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করছে অসাধু ও স্বার্থপর কিছু রাজনীতিবিদ। রাজনীতির সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে সন্ত্রাস-নির্ভর রাজনীতিবিদরা ছাত্রদের ব্যবহার করছে। যার পরিণতিতে, আজকের ছাত্র সমাজের একটি বড় অংশ মাদকাসক্ত, অস্ত্রবাজ, চাঁদাবাজ, ইভটিজার। তবে এখনও আদর্শবান আছে কিছু অংশ। বিবিসি'র কাছে এর ধারাবাহিক প্রতিবেদন আশা করছি। ছাত্র রাজনীতির আদৌ প্রয়োজন আছে কি না?''

বৃহস্পতিবার আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে প্রধান রিপোর্ট ছিল ছাত্র সংগঠনগুলোর বর্তমান ভূমিকা নিয়ে আর রেডিওতেও ছাত্রলীগকে নিয়ে সংকটের ওপর প্রতিবেদন প্রচার করা হয়েছিল। আপনি অনুষ্ঠানগুলো দেখেছেন কিনা জানি না, মি. রহমান, তবে ছাত্র রাজনীতি বা ছাত্র সংগঠনগুলো নিয়ে প্রতিবেদন আমরা নিয়মিতই করছি এবং ধারাবাহিকের কথা অবশ্যই ভাবছি। আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ।

আরো পড়তে পারেন:

রোবট আসছে! কী ঘটবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশে অবনতি কেন

আমার চোখে বিশ্ব: 'ভূস্বর্গ' কাশ্মীরে নারীরা আবার হুমকির মুখে?

এবারে গত বৃহস্পতিবারের বিবিসি প্রবাহর মূল বিষয় নিয়ে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''বিবিসি প্রবাহর মূল বিষয় ছিল, একসময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে মূল চালিকা শক্তি হলেও, এখন সেই ভূমিকা কতটা রাখতে পারছে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলো? এ প্রসঙ্গে আমার অভিমত, হ্যাঁ- যদি কেউ রাজনীতি করতেই চায়, তবে লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে নিজেকে নিয়োজিত করুক। কিন্তু বর্তমানে ছাত্র রাজনীতির এমন কোন ভাল দিক নেই যে, এটাকে চালু রাখতে হবে।

''বরং শিক্ষাঙ্গনের সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য, ছাত্রছাত্রীদের জীবনের নিশ্চয়তা প্রদান করা সহ সব ধরনের অপরাধ বন্ধের জন্য আইন করে হলেও ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা একান্ত জরুরি বলে আমি মনে করি।''

আপনি দেখছি বেশ সোজা-সাপটা কিন্তু কঠোর একটি অবস্থান নিয়েছেন মি. ইসলাম। আমার কিন্তু মনে হয়, ক্যাম্পাসে অপরাধ রোধে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে -মাথা ব্যথা বন্ধ করার জন্য মাথা কেটে ফেলার মত। এখানে পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারে এবং তাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পূর্ণ সহযোগিতা করে, তাহলে শুধু যে অপরাধ দমন হবে তাই না, ছাত্র সংগঠনগুলোও এই সব অপরাধীদের কবল থেকে মুক্তি পাবে। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের কোন প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয় না। আপনাকে ধন্যবাদ।

আমাদের রেডিও এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠান নিয়ে দু'ধরণের পর্যবেক্ষণ দিয়ে লিখেছেন খুলনা থেকে প্রবীণ শ্রোতা মুনির আহম্মদ:

''বিবিসির কাছ থেকে আমরা সব সময় আশা করি মান সম্মত অনুষ্ঠান। কিন্তু যখন ভুল উচ্চারণ আর ভুল তথ্য বিবিসির সম্প্রচারকৃত অনুষ্ঠানে শুনি তখন সেটা মর্মপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শুক্রবার সকালের প্রত্যুষা অনুষ্ঠানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ইসরায়েল এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বললেন অনুষ্ঠান উপস্থাপক এবং সংবাদ পাঠক উভয়েই। এ রকম ভুল ইদানীংকালে প্রায় হয়, জানিনা আপনারা এগুলি মনিটর করেন কি না।''

বিষয়টি আমাদের জন্যও পীড়াদায়ক মি. আহম্মদ। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে প্রেসিডেন্ট বলা অসাবধানতার লক্ষ্মণ, যেটা কোন অনুষ্ঠানের জন্যই কাম্য নয়। এই ভুলের জন্য আমরা দু:খিত এবং আশা করছি আমরা আরও সতর্কতার সাথে কাজ করবো। তবে মুনির আহম্মদ শুধু সমালোচনা করার জন্যই চিঠি লেখেননি:

''শুধু ভুল ত্রুটি নয় এবার কিছু ভালো কথাও বলি। 'বিবিসির সাথে গানগল্প' দিয়ে যার কণ্ঠের সাথে আমাদের পরিচয় সেই অর্চি অতন্দ্রিলাকে এখন আমরা পাচ্ছি রিপোর্টিংএ। সাদা চিনি ক্যান্সারের একটা কারণ সম্পর্কিত সুন্দর প্রতিবেদনটি প্রথম আমি দেখি। তার পর থেকে তার আরো কয়েকটি প্রতিবেদন আমার ভালো লেগেছে। নতুন আর একজন কর্মীর কথা না বললেই নয়। তিনি পারমিতা হিম।

''বৃহস্পতিবার বিবিসি প্রবাহে তার দুটি প্রতিবেদন ভাল লেগেছে। আর শারমিন রমার উপস্থাপনায় ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে সাক্ষাৎকার ভিত্তিক প্রতিবেদন আমাদের ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।''

আপনার অভিনন্দন আমি রমা, অর্চি এবং পারমিতাকে পৌঁছে দেব মি. আহম্মদ। বিবিসি প্রবাহ দেখছেন এবং তা দেখে আপনার ভাল লাগছে জেনে আমদেরও ভাল লাগলো। আপনাকে ধন্যবাদ।

যে অনুষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদন ছিল সেই অনুষ্ঠান নিয়ে আরো লিখেছেন টাঙ্গাইলের সরকারি ম্যাটস থেকে বিলকিছ আক্তার:

''গত ১২ই সেপ্টেম্বর চ্যানেল আইতে প্রচারিত বিবিসি প্রবাহের সবকটি পরিবেশনাই ছিল অত্যন্ত চমৎকার। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদন, সরকারি অ্যাপস সেবা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট্ট শিশু মুনিরার বিরল রোগে রোমশ হয়ে যাওয়া প্রতিবেদনটি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমি বিবিসি বাংলা'র মাধ্যমে সমাজের বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানাই, শিশুটির সু-চিকিৎসায় তারা যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।''

বিবিসি প্রবাহ ভাল লেগেছে জেনে আমাদেরও ভাল লাগলো মিস আক্তার। আশা করছি আপনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই মেয়েটির সাহায্যে এগিয়ে যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে ছোট একটি চিঠি, পাঠিয়েছেন পটুয়াখালীর মৌকরন থেকে শাহিন তালুকদার:

''নারী ক্রিকেট দলকে ধন্যবাদ। বিবিসি বাংলা অনবরত সাকিরা জেসির সাক্ষাতকার নেয় কেন?''

আপনি নিশ্চয়ই ক্রিকেট বিশ্লেষক সাথিরা জাকির জেসির কথা বলছেন মি. তালুকদার। তবে আমরা অনবরত তার সাক্ষাৎকার নেই, এ'কথা ঠিক না। আমরা প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট বিশ্লেষকদের সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকি। এক সময় এরা সবাই পুরুষ ছিলেন, কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং তাদের বিশ্লেষণের মান পুরুষদের সমান। সাথিরা জেসি তাদেরই একজন। কাজেই আমরা নারী এবং পুরুষ, দু'জনেরই সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। আপনাকে ধন্যবাদ।

পরের চিঠি লিখেছেন পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থেকে ইমরোজ, ইভা এবং তুবা:

''আপনাদের প্রতিবেদনে প্রায়ই মাননীয় ও মহামান্য শব্দ দুটির ব্যবহার লক্ষ্য করি। কিন্তু শব্দ দুটির ব্যবহার বিধি জানা নেই। কাকে মাননীয়, আর কাকেই বা মহামান্য বলে সম্বোধন করতে হয় তা জানিয়ে উৎসুক মনের চাহিদা পূরণ করলে বিবিসিকে আমৃত্যু শ্রোতার বন্ধনে বেঁধে রাখব।''

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দেশের রাষ্ট্রপতিকে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় শব্দটি যোগ করা হয়। তবে আপনারা মনে হয় ভুল করেছেন ইমরোজ, ইভা এবং তুবা। আমাদের অনুষ্ঠানে কাউকে মহামান্য বা মাননীয় বলে সম্বোধন করা হয় না। কিন্তু আমাদের অনুষ্ঠানে কোন অতিথি যদি মহামান্য বা মাননীয় শব্দগুলো ব্যবহার করেন তাহলে আমরা তাকে বাধা দেই না। আপনাদের ধন্যবাদ।

বুশ হাউস স্টুডিওতে বিবিসি বাংলার সেরাজুর রহমান কথা বলছেন কবি শামসুর রহমানের সাথে।
BBC
বুশ হাউস স্টুডিওতে বিবিসি বাংলার সেরাজুর রহমান কথা বলছেন কবি শামসুর রহমানের সাথে।

আমাদের অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার নিয়ে লিখেছেন মাগুরার শ্রীপুর থেকে রিপন বিশ্বাস:

''বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে একটা জিনিস খুব ভালো লাগে, তা হলো সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় ক্ষমতাসীন ব্যক্তি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যে প্রশ্ন করা হয় তা অনেকটা শ্রোতা বা আমাদের চাহিদা অনুযায়ী হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তরদাতা জবাবগুলো যথাযথ না দিয়ে প্রসঙ্গ পাল্টে গোঁজামিল দিয়ে কিছু বলে থাকেন । তখন খুব বিরক্ত লাগে। এক্ষেত্রে আপনাদের কী করণীয়?''

আমাদের প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকারের একটি বা দুটি অংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয় মি. বিশ্বাস। সংবাদদাতার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর কোন কর্মকর্তা না দিলে তাঁকে একাধিকবার প্রশ্নটি করা হয় ঠিকই, কিন্তু কেউ যদি উত্তর না দিতে চায়, তখন আমাদের করার কিছু থাকে না। তখন শ্রোতারাই বুঝে নেবেন প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে । আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে চলমান রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিয়ে লিখেছেন রংপুরের পার্বতীপুর দোলাপাড়া থেকে এস এম.লিয়াকত আলী:

''সম্প্রতি রোহিঙ্গা পরিচয় পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক ছাত্রীকে বের করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনাটা মোটেই ঠিক হয়নি। রোহিঙ্গাদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারলে তারা অনেক সচেতন হবে। কিন্তু শিক্ষা না থাকলে তারা কীভাবে বুঝবে কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক। তাই তাদেরকে মূল স্রোতে নিয়ে আসতে হলে শিক্ষার প্রয়োজন।''

আপনার সাথে আমি একমত মি. আলী, সবারই শিক্ষার অধিকার এবং প্রয়োজন আছে। রোহিঙ্গারা নিরুপায় হয়েই বাংলাদেশে এসেছে, এবং আশ্রয়দাতা দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উচিত তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আপনাকে ধন্যবাদ।

পরের চিঠি লিখেছেন ঢাকা থেকে ইমতিয়াজ আসিফ:

''বাংলাদেশী প্রচুর পাঠক পাঠিকা পত্রিকা পড়ার জন্য ইন্টারনেট ব্রাউজার দ্বারা ব্রাউজ না করে অ্যাপ এর সাহায্যে পড়ে। আপনাদের বিবিসি বাংলা একটা এনড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করলে আশা করি আপনাদের নিয়মিত পাঠক পাঠিকা আরো বৃদ্ধি পাবে। আমি নিজেও আপনাদের একজন নিয়মিত পাঠক।''

আপনার প্রস্তাবকে আমি অবশ্যই সমর্থন করি মি. আসিফ। তবে বিবিসির নির্দিষ্ট কোন অনুষ্ঠানের জন্য অ্যাপ তৈরির একটি নীতিমালা আছে, যার মাধ্যমে যাচাই করা হয় অ্যাপের জন্য কোন অনুষ্ঠানের যথেষ্ট চাহিদা আছে। বাংলাদেশে অ্যাপের চাহিদা বাড়ছে, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু সেটা এখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যেটা একটি বাংলা অ্যাপে বিনিয়োগ সমর্থন করবে। তবে আমরা অবশ্যই আশাবাদী। আপনাকে ধন্যবাদ।

সব শেষে, শ্রোতা সম্মেলন নিয়ে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''সপ্তাহ দু'য়েক আগে রংপুর থেকে এক শ্রোতা বন্ধু লিখেছিলেন শ্রোতা সম্মেলন আয়োজনের অনুরোধ জানিয়ে। বিবিসি বাংলার সম্পাদকও শ্রোতা সম্মেলন আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। আঞ্চলিক ভাবে অনুষ্ঠিত শ্রোতা সম্মেলনে অংশ গ্রহণের জন্য শ্রোতাদের অর্থ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হয়, একথা ঠিক। তবে এটিও ঠিক এ ধরনের আঞ্চলিক শ্রোতা সম্মেলনে সারা দেশ থেকে শ্রোতাদের অংশ গ্রহণের সুযোগ যেমন থাকে না তেমনি ঢাকার বাইরে অনুষ্ঠিত শ্রোতা সম্মেলনে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে দু'এক জনের বেশি অংশ নিতেও পারেন না।

''আমার মনে হয়, কেন্দ্রীয় ভাবে ঢাকায় একটি শ্রোতা সম্মেলনের আয়োজন করা হলে সারা দেশ থেকে শ্রোতারা যেমন অংশ নিতে পারবেন তেমনি বিবিসি বাংলার অনেকেই সেই শ্রোতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারবেন।''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি. সরদার। কিন্তু আমি আপনার সাথে এখানে দ্বিমত পোষণ করবো। আঞ্চলিকভাবে আমরা শ্রোতা সম্মেলন করি যাতে ঐ অঞ্চলের লোকজনের সাথে আমরা সরাসরি আলাপ করতে পারি। ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে করলে অন্যান্য অঞ্চলের গুটিকয়েক শ্রোতা সেখানে অংশ নেবেন। কিন্তু সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা ইত্যাদি শহরে করলে প্রতিটিতে সেখানকার শ'খানেক শ্রোতা অংশ নিতে পারেন। আমরা আমাদের কার্যক্রম বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যেতে চাই, সেজন্যই আঞ্চলিক ভাবেই সম্মেলন করা হয়।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

হাসান মীর, রাণীবাজার, রাজশাহী।

রিপন পাল, খুলনা।

নিশিমনি, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম।

দেব প্রসাদ রায়, দক্ষিণ পানাপুকুর, রংপুর।

কে.ডি. মিজানুর রহমান, রাজারহাট, কুড়িগ্রাম।

মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাল বাপ্পী, কপিলমুনি, খুলনা।

মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ঢাকা।

উজ্জ্বল কান্তি, কয়রা,খুলনা।

দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ।

মোহাম্মদ সোহেল রানা হৃদয়, ঢাকা সেনানবিাস।

BBC
English summary
Question on quality of Dhaka universities education system
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X