• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অপুষ্টির শিকার ১৩ জন সন্তানকে শিকলে বেঁধে রাখল বাবা-মা, জানুন তার আগে পরের ঘটনা

বাবা ,মায়ের স্নেহ ভালোবাসাই সন্তান লালনের প্রথম ও শেষ শর্ত। সন্তানকে আগলে রাখতে , বাবা মায়ের ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর বহু ঘটনা দেখে এই বিশ্ব। তবে এবার দেখা গেল বাবা মায়ের এক অন্য রূপ। ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যালেন টার্পিন ও অ্যানা টার্পিন নিজেদের ১৩ জন সন্তানকে বিছানায় শেকল দিয়ে বেঁধে রাখে। আর যে সন্তানরা ভুগছে অপুষ্টিতে। এই মর্মান্তিক অত্যাচারের কথা পুলিশ জানতে পেরেই উদ্ধার করে ওই ১৩ জনকে।

অপুষ্টির শিকার ১৩ জন সন্তানকে শিকলে বেঁধে রাখল বাবা-মা, জানুন তার আগে পরের ঘটনা

সন্তানদের বয়স ২ থেকে ২৯ বছর পর্যন্ত। আর তাদের সকলকে চেন দিয়ে বিছানায় বেঁধে রাখে ওই দম্পতি। এরই মধ্যে তাদের এক ১৭ বছরের বোন ঘরে একটি মোবাইল খুঁজে পেয়ে ফোন করে পুলিশকে। আর তখন পুলিশ এসে উদ্ধার করে ১৩ জনকে। ওই কিশোরই পুলিশকে জানায় তাদের বাবা মা , তাদের চেন দিয়ে বেঁধে রাখে। কাউকে পায়ে শেকল পরিয়েও রাখা হয়। এই ঘটনার পরই ৫৭ বছরের অ্য়ালেন ও ৪৯ বছরের অ্যানাকে গ্রেফতার করেছে ক্যালিফোর্নিয়া পুলিশ।

অপুষ্টির শিকার ১৩ জন সন্তানকে শিকলে বেঁধে রাখল বাবা-মা, জানুন তার আগে পরের ঘটনা

কিছুদিন আগে , এদেশ দেখেছে রাজকোটের এক চূড়ান্ত অমানবিক সন্তানের কাহিনি। যে সন্তান পেশায় পেশায় অধ্যাপক হয়, ছাদের ধারে নিয়ে গিয়ে বৃদ্ধা মাকে ঠেলে ফেলে মেরে দেয়। আর এবার বিশ্ব দেখল এমন এক বাবা মাকে যারা, অপুষ্টির শিকার নিজের সন্তানদের ওপর চরম অমানবিক অত্যাচার চালায়। কিন্তু কেন এই ধরনের অত্যাচার চালাল ধৃত বাবা- মা , তা নিয়ে সদুত্তর পায়নি পুলিশ।

English summary
Horrified police arrived to a house of horrors near Los Angeles where they discovered her chained-up siblings aged between two and 29.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more