• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

'শিক্ষা' দিতে গিয়ে শিক্ষকের মারধরে মৃত্যু ছাত্রের! সহপাঠীরা নামল বীভৎস 'বদলা'য়

  • By Annanya
  • |

চোখের সামনে তারা দেখেছে তাদের সহপাঠিকে 'শিক্ষা' দেওয়ার নামে কেমনভাবে মারধর করা হয়েছে। দশম শ্রেণির হাফিজ হুনাইন বিলালকে প্রথমে তার শিক্ষক মারধর করতে থাকেন। এরপর , বিলালের মাথা ক্রমাগত দেওয়ালে ঠুকে মারধর শুরু করেন ওই শিক্ষক। আর মাথ ঠুকতে ঠুকতে ছাত্রকে ' উচিত শিক্ষা' দিতে গিয়ে কখন যেন দশম শ্রেণির ছেলেটিকে মেরেই ফেলেন শিক্ষক। এমনই অভিযোগ ক্লাসে উপস্থিত বিলালের বন্ধুদের। এরপরই বিলালের সহপাঠীরা নামে বীভৎস 'বদলা'য়।

 কী ঘটেছিল গুলশান-এ-রবিতে!

কী ঘটেছিল গুলশান-এ-রবিতে!

যে ঘটনার বিবরণ এতক্ষম পড়লেন, তা ঘটেছে পাকিস্তানের লাহোরের গুলশান-এ -রবি এলাকায়। এলাকারা আমেরিকান লাইসিটাফ স্কুলের ছাত্র বিলালের মৃত্য়ুর ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসে উঠতে থাকে গোটা পাকিস্তান। ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে বিলালের বন্ধুরা।

সহপাঠীদের 'প্রতিশোধ'

বিলালকে চোখের সামনে মৃত্যু মুখে যেতে দেখে, সহপাঠীরা ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে। এদিকে, মার খেতে খেতে রক্তাক্ত হয়ে বিলাল অসুস্থ হওয়ার পর , সেই স্কুলের দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা পেট্রোল বোমা নিয়ে স্কুলে ঢুকে পড়ে। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় স্কুলে। ঘটনার বীভৎসতায় স্তম্ভিত হয়ে যায় অনেকেই।

 বিলালের পরিবারের ক্ষোভ

বিলালের পরিবারের ক্ষোভ

পুত্র হারানোর শোক ভুলতে পারছে না বিলালের পরিবার। স্বভাবতই ক্ষোভ জমাট বাঁধছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, একটি স্কুল প্রজেক্ট শেষ করতে না পারার জন্য বিলালকে মারধর করে অভিযুক্ত শিক্ষক। গোটা ঘটনায় পুলিশে অভিযগো ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। (প্রতীকী ছবি)

English summary
Pakistani Teen tortured to death by teacher, friends took revenge .As news about the incident spread on the internet after a tweet from the boy's cousin, many on social media slammed the teacher and stood in solidarity with Bilal's family.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more