• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ইনি গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে রয়েছেন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে

ইসলামাবাদ, ২৩ এপ্রিল : পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে গত ২৫ বছর ধরে গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে রয়েছেন মেহমুদ বাট (৫০)। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে উপায় না দেখে গাছের পাতা খাওয়া শুরু করেন বছর পঞ্চাশের মেহমুদ। তারপর দীর্ঘ ২৫ বছর হয়ে গেল সেটাই অভ্যাস হয়ে গিয়েছে।

কোমায় থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিলেন মা

১৬৪০ সালে প্রথম তৈরি হওয়া 'কন্ডোম' এখনও ব্যবহারযোগ্য!

পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা জেলার বাসিন্দা মেহমুদ যুবক বয়সেই কাজ হারান। টাকার অভাবে একবেলা খাবার জোগাড়ের সামর্থ ছিল না তাঁর। তাই তিনি ঠিক করেন, ভিক্ষা করার চেয়ে, কারও কাছে হাত পাতার চেয়ে পাতা খেয়েই দিন গুজরান করবেন।

ইনি গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে রয়েছেন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে

তবে পরে যখন কাজ করতে শুরু করেন মেহমুদ, কিছুটা রোজগারও জমে এবং দিনে দুবেলা দুমুঠো খাবার কেনার সামর্থ তাঁর তৈরি হয়, তখন আর তিনি পুরনো অভ্যাস ছেড়ে বেরোননি। গাছের পাতা খাওয়াই তখন অভ্যাস হয়ে গিয়েছে তাঁর।

৯৯ বছর বয়সে জেলে গেলেন এক বৃদ্ধা

২৫তম স্ত্রীর করা অভিযোগে ২৭তম স্ত্রীর বাড়ি থেকে গ্রেফতার স্বামী

মেহমুদ জানিয়েছেন, কাঠ ও পাতা খাওয়া এখন তাঁর অভ্যাস। তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বটপাতা, সেটাও অকপটে জানিয়েছেন তিনি। মেহমুদ এখন দিনে ৬০০ টাকা রোজগার করেন। নিজের গাধার পিঠে চাপিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মালপত্র পৌঁছে দেওয়াই তাঁর কাজ।

তবে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, রাস্তাঘাটে চলতে চলতে মেহমুদের নজর থাকে আশপাশের গাছের দিকে। কচি পাতা চোখে পড়েছে কি, মেহমুদ সঙ্গে সঙ্গে তা ছিঁড়ে খেয়ে ফেলেন। তবে সেজন্য এলাকার মানুষ কখনও রাগ করেন না। বরং তিনি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়।

জানা গিয়েছে, এতবছর পাতা খেয়ে কখনও অসুস্থ হয়ে পড়েননি তিনি। এমনকী কখনও চিকিৎসকের কাছেও যেতে হয়নি। দিব্যি রয়েছেন তিনি, কাঠ-পাতা খেয়ে।

English summary
Pakistan's Mehmood Butt eat only wood and leaves, survives for last 25 years
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more