পাকিস্তানে কাশ্মীর নিয়ে বড়সড় মিছিলে গ্রেনেড হামলা! রক্তাক্ত করাচি
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণা ২০১৯ সালে দিল্লির সংসদ থেকে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মুহূর্তে পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে কাশ্মীরে। প্রবল নিরাপত্তার পাশাপাশি, একাধিক বিধি নিষেধ আরোপিত হয় ভূস্বর্গে। এদিকে, পাকিস্তান ভারতের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে যাওয়া ইমরান খানের কাছে অন্যতম সম্বল ছিল কাশ্মীর। সেই কাশ্মীর ঘিরে ভারতের বড় পদক্ষেপের পর, ৫ অগাস্ট পাকিস্তান জুড়ে কাশ্মীর নিয়ে বিভিন্ন মিছিল, ধিক্কার দিবসের ডাক দেওয় হয়।সেই মতো এবারেও করাচির রাস্তায় একটি মিছিল বেরিয়ে ছিল। আর সেখানেই প্রবল গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে রক্তাক্ত হতে থাকে করাচির রাস্তা।
আহত হন ৩০ জন। আহতদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে, জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে সিন্ধুদেশ রেভোলিউশন আর্মির তরফে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। গোটা বিস্ফোরণের দায় তারা স্বীকার করেছে।












Click it and Unblock the Notifications