• search

২০০২ সালেই ভারতে পারমাণবিক হামলার কথা ভেবেছিলেন, চাঞ্চল্যকর দাবি মুশারফের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ২০০২ সালে ভারত-পাকিস্তান দুদেশের সম্পর্ক যখন চূড়ান্ত তিক্ততায় চলে যায় , তখন ভারতের ওপর পরমাণু হামলার ছক কষেছিল পাকিস্তান। কিন্তু তারপর তা করতে গিয়েও পিছিয়ে আসে পাকিস্তান। কারণ , পরমাণু হামলার পর ভারত পাল্টা হামলায় পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে, এই ভেবে তারা পরমাণু হামলায় চালাতে পিছপা হয়। আর পাকিস্তানের হয়ে , ভারতের বিরুদ্ধে এই পরমাণু হামলার ছক কষেছিলেন প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মুশারফ।

    ভারতের ওপর পরমাণু হামলার ছক কষেছিল পাকিস্তান, নেপথ্যে কে, বিস্ফোরক মন্তব্যে জানালেন মুশারফ

    সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে পারভেজ মুশারফ জানিয়েছেন, ২০০২ সালে ভারতের ওপর পরমাণু হামলা চালানো হবে কি হবে না, এই ভাবনাতেই বহু নিদ্রাহীন রাত কাটিয়েছেন তিনি। কারণ সেই সময়ে ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলায় ১৪ জন নিহত হন। ফলে পাকিস্তানের ওপর ভারতের ক্ষোভ এমনিতেই ছিল। এরকম এক পরিস্থিতিতে যদি পাকিস্তান বড় হামলায় চালায় ভারতে, তাহলে তার ফলাফলের কথা চিন্তা করেই পরমাণু হামলা চাবাতে পারেনি পাকিস্তান।

    ৭৩ বছর বয়সী এই প্রাক্তন পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট বর্তমানে দুবাইতে রয়েছেন। এক জাপানি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুশারফ জানান, ভারত ও পাকিস্তান দুটি দেশের কাছেই সেসময়ে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড ছিলনা। ফলে মিসাইল লঞ্চ করতে গেলে দু'দিনের সময় লাগত। পরে তিনি, জানান, দুটি দেশই পরমাণু হামলার পথে না হাঁটায়, তা দুদেশের জন্যই ভালো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানে সেনা অভ্যুথ্থানের নেতৃত্ব দিয়ে , পাক মসনদ দখল করেন পারভেজ মুশারফ। এরপর জনতার রোষের মুখে পরে, ৯ বছর বাদে বহু অপরাধমূলক অভিযোগের জালে আটকে পড়েন তিনি। শেষমেশ দেশ ছেড়ে দুবাই চলে যেতে বাধ্য হন মুশারফ।

    English summary
    akistan considered nuking india once reveals musharraf.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more