ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

উত্তর কোরিয়া - আমেরিকা বৈঠক কেমন হল, জানেন কি বলছে প্রেসিডেন্ট কিমের পোষা মিডিয়া

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কিম-বন্দনা ছাড়া চলার উপায় নেই উত্তর কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির। তাই ট্রাম্প ও কিমের মঙ্গলবারের বৈঠকে দীর্ঘ দিনের আমেরিকা - উত্তর কোরিয়া প্রতিকূল সম্পর্কের অবসান হল বলে দাবি করেও এই বৈঠককে তারা তাঁদের সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কূটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখিয়েছে।

    কিমের পোষা মিডিয়ার চোখে উত্তর কোরিয়া - আমেরিকা বৈঠক

    উত্তর কোরিয়ায় শাসন ক্ষমতা রয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টির হাতে। সেই দলের নেতা হিসেবেই দেশের শাসনভার কিমের হাতে রয়েছে। সেই ওয়ার্কার্স পার্টির মুখপত্র 'রোদং সিনমুন'-এর প্রথম পাতাতেই কিম ওচ্রাম্পের করমর্দনের ছবি দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠককে 'রোদং সিনমুন' 'শতাব্দীর সেরা বৈঠক' হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং এই বৈঠকে 'দুই দেশের চরম প্রতিকূল সম্পর্ক'-এর অবসান ঘটলো বলে দাবি করেছে।

    সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ আবার বক্তব্য, এই বৈঠকে 'নব যুগের সূচনা' হল। তাদেরও দাবি উত্তর কোরিয়া - আমেরিকার প্রতিকূল সম্পর্কে মাটকীয় পরিবর্তন আসবে। তাদের প্রতিবেদন অবশ্য কিম-স্তুতির ছড়াছড়ি। অন্তত ১৬ বার প্রতিবেদনে কিমের সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে।
    কোরিয়ান উপদ্বীপের শান্তি ও স্থিতির পরিস্থিতি তৈরির যাবতীয় কৃতিত্ব তাদের মতে প্রেসিডেন্ট কিমের। কেসিএনএ-র দাবি 'কয়েক মাস আগেও সশস্ত্র সংঘর্ষের চরম বিপদের উদ্বেগ থাকলেও দ্রুত কোরিয়া উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতার বাতাবরণ তৈরির জন্য ট্রাম্পও নাকি কিমের প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি, কিমকে একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তুলে ধরেছে তারা।

    এর পাশপাপাশি তারা জানিয়েছে কিম এবং ট্রাম্প পরস্পর পরস্পরকে তাদের নিজ নিজ দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কেসিএনএ-এর দাবি, 'দুই শীর্ষনেতাই একে অপরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। এতে উত্তর কোরিয়া - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে দাবি করেছে এই উত্তর কোরিয় সংবাদ সংস্থা।

    English summary
    Trump and Kim as the end to hostile relations with the US and depicting the meeting as a diplomatic victory for Kim.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more