• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফের ইতিহাস তৈরির পথে নাসা, লালগ্রহে পা রাখতে চলেছে নাসার ক্ষুদ্রতম হেলিকপ্টার

  • |

একদিকে যেমন ধরিত্রীর বুক থেকে করোনা অপসারণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মানবসমাজ, তেমনই অন্যদিকে মহাকাশ জয় করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজ্ঞানীরা। নাসার 'মার্স ২০২০' অভিযানের অংশ হিসেবে লালগ্রহের বুকে বৃহঃষ্পতিবার অবতরণ করার কথা পারসিভারেন্স রোভার ও ইনজেন্যুইটি হেলিকপ্টারের। পাশাপাশি আগামী মে মাসে মঙ্গলে অনুসন্ধান করার জন্য পৌঁছোবে চিনের তিয়ানওয়েন ১। সব মিলিয়ে মহাকাশে যে মার্কিন-চিন দ্বন্দ্ব যথেষ্ট আগ্রাসী পর্যায়ে, তা স্পষ্ট সাম্প্রতিক ঘটনাতেই!

নয়া ইতিহাস তৈরির পথে নাসা

নয়া ইতিহাস তৈরির পথে নাসা

আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার বক্তব্য, সব ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবাররেই মঙ্গলে ইতিহাস রচনা করতে চলেছে আমেরিকা। নাসা সূত্রের খবর, হেলিকপ্টার বলা হলেও ইনজেন্যুইটি আদতে মাত্র ১.৮ কিলোগ্রামের একটি ক্ষুদ্র ড্রোন। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলের বায়ুমন্ডলের ঘনত্ব পৃথিবীর মাত্র ১%, ফলে অবতরণের ক্ষেত্রে লালগ্রহের আবহাওয়া যে বড় বাধা, তা স্পষ্ট করেছেন গবেষকরা।

 আগের চেয়েও অধিকতর উন্নত ইনজেন্যুইটি

আগের চেয়েও অধিকতর উন্নত ইনজেন্যুইটি

আগের রোভারগুলির থেকেও বৃহদায়তন পাখা রয়েছে ইনজেন্যুইটির, যা পাঁচগুণ জোরে ঘূর্ণনে সক্ষম, নাসা সূত্রে খবর এমনটাই। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চৌকো আকৃতির দেহাবয়ববিশিষ্ট ইনজেন্যুইটির চারটি ধাতব পা ও দুইটি রোটারের সঙ্গে যুক্ত চারটি কার্বন ফাইবারের ব্লেড রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মঙ্গলের প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে যে যুঝতে পারবে ইনজেন্যুইটি, এমনই আশা সকলের।

দেহ উষ্ণ রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা ইনজেন্যুইটিতে

দেহ উষ্ণ রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা ইনজেন্যুইটিতে

নাসা বিজ্ঞানীরা জানান, ইনজেন্যুইটির সোলার প্যানেলগুলি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম যা হিমশীতল মঙ্গলের রাতে রোভারকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে। মঙ্গলে রাতের বেলায় উষ্ণতা নেমে যায় প্রায় -৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকভাবেই নেভিগেশন সেন্সর, কম্পিউটার ও ক্যামেরা দু'টিকে বাঁচাতে দেহ উষ্ণ রাখতে হবে ইনজেন্যুইটিকে। ইনজেন্যুইটি নির্মাতা দলের প্রধান বব বালারাম যে যথেষ্ট আশাবাদী এই অভিযানের বিষয়ে, তা জানিয়েছে নাসা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বলে নিজেই চলবে ইনজেন্যুইটি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বলে নিজেই চলবে ইনজেন্যুইটি

নাসাগবেষকদের তথ্যানুযায়ী, পৃথিবী থেকে মঙ্গলের বিশাল দূরত্বের কারণে পৃথিবী থেকে ইনজেন্যুইটিকও নিয়ন্ত্রণ করা একপ্রকার অসম্ভব। আর তাই কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করা পথেই চলবে এই ড্রোন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মাটি থেকে ৩-৫মিটার উর্দ্ধে ও অবতরণের স্থান থেকে ৫০মিটার দূর পর্যন্ত নিজে নিজেই উড়ে ঘুরে বেড়াবে এই রোভার। বিশ্বসংসারে প্রাণের আভাস পেতে ইনজেন্যুইটি প্রযুক্তির কদর যে বাড়বে, সে বিষয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।

বিগ বাস্কেটের ৬৮ শতাংশ মালিকানা এবার ‌আসছে টাটার হাতে

English summary
nasa s smallest helicopter is about to set foot on the red planet on the way to make history again
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X