ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

সুকি এখনই ব্যবস্থা না নিলে, রোহিঙ্গা পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, বলল রাষ্ট্রসংঘ

  • By OneindiaStaff
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মায়ানমারে রোহিঙ্গা বিরোধী সেনা অভিযান বন্ধ করতে আন সাং সুকি-র হাতেই শেষ সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাস। সুকি এখনই পদক্ষেপ না নিলে রোহিঙ্গা সংকট আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেবে বলেও মনে করেন তিনি।

    [আরও পডুন:রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি নয়, বললেন মায়ানমারের সেনাপ্রধান, আরও কী বললেন জেনে নিন]

    সুকি এখনই ব্যবস্থা না নিলে, রোহিঙ্গা পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, বলল রাষ্ট্রসংঘ

    রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সুকি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণই রোহিঙ্গা বিরোধী অভিযান বন্ধের শেষ সুযোগ। যদি তিনি তাঁর অবস্থান পরিবর্তন না করেন, তাহলে এই সংকট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া উচিৎ। মায়ানমারে সেনাবাহিনীই এখনও যে সবার ওপরে তা তাদের কার্যকলাপ থেকেই স্পষ্ট। যদিও মায়ানমারের দাবি, রোহিঙ্গা জঙ্গিরা সেনা ও সাধারণ মানুষকে টার্গেট করার পর থেকেই সেনা অভিযান শুরু হয়েছে।

    রোহিঙ্গা বিরোধী অভিযান নিয়ে এখনও সুকি কোনও মন্তব্য না করায় ধরে নেওয়া হচ্ছে সেনাবাহিনীর অভিযানের তাঁর সমর্থন রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের আাসন্ন অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন সুকি।

    ২৫ অগাস্ট রাতে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনার পর থেকে সেখানে সেনা অভিযান শুরু হয়। রোহিঙ্গা পুরুষ-মহিলা-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যালিলার অভিযোগ ওঠে। সেনাবাহিনীর হামলার থেকে বাঁচতে গত কয়েক সপ্তাহে চারলাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে গিয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

    English summary
    Myanmar's de facto leader Aung san Suu Kyi has a last chance to halt an army offensive that has forced hundreds of thousands of the mainly Muslim Rohingya to flee abroad, the UN head sa said.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more