• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ছেলের কান্না থামাতে এ কোন উপায় নিলেন মা! শিউরে উঠবেন ‘কীর্তি’র কথা জানলে

মা হওয়া নয় মুখের কথা। মায়েদের দেখেই তা বোঝা যায়। কিন্তু এই মাকে দেখে কী বুঝবেন সবাই। কান্না থামাতে গিয়ে কি না এমন কাণ্ড ঘটালেন একজন মা! এ কাহিনি বড়ই বেদনার। সন্তান হারানোর পর প্রথমে অপহরণের গল্প ফেঁদেছিলেন মা, তারপর পুলিশি জেরার মুখে প্রকাশ্যে এল আসল ঘটনা, যা শুনলে শিউরে উঠতে হয়।

ছেলের কান্না থামাতে যা করলেন মা, জানলে শিউরে উঠবেন

যে মায়ের কাছে একজন শিশু সবথেকে নিরাপদ, সেই মায়ের হাতেই কি না নির্মম পরিণতি হল শিশুর। অপরাধ কী! কান্না। শিশুর কান্না ভোলাতে কি না এমন উপায় নিলেন মা। কান্না থামাতে নিজের বুকের শিশুকে জলে ডুবিয়ে দিলেন। তাতেই ঘটল নির্মম পরিণতি। এক মাসের শিশুকে জলে ডুবিয়ে খুন করল মা।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার। ১৯ বছরের এক তরুণী সন্তানের কান্না থামাতে ঘটিয়ে ফেলল নির্মম ঘটনা। নিজের সন্তানকে খুন করে অপহরণের গল্প ফেঁদেছিল তরুণী। পরে পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে সব ঘটনা খুলে জানায় জিনা ফ্লোয়েল নামে ওই তরুণী।

পুলিশি জেরায় সে জানান, ছেলের কান্নায় অতীষ্ট হয়ে উঠেছিল। কান্না থামাতেই শিশুটিকে জলে ডুবিয়ে ধরেছিল। কিন্তু কান্না থামাতে গিয়ে যে এই ঘটনা ঘটে যাবে, ভাবতে পারিনি। এরপর মারিকিন জরুরি পরিষেবার হেল্প লাইনে ফোন করে জানাই ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে।

কিন্তু পুলিশ তদন্ত শুরু করার পরই ক্রমশ প্রকাশ্যে আসে আসল ঘটনা। ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করে নেয় জিনা। তদন্তকারীরা এই ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, খুনের আগে জিনা ইন্টারনেটে নানারকম সার্চ করে। কী করে হঠাৎ করে মরে যাওয়া যায়, জলে ডুবে মরতে কত সময় লাগে, ইত্যাদি।

এই প্রবণতা থেকে তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটা পরিকল্পিত হত্যাও হতে পারে। ছেলেকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন বাবা এরিক কেনকু। তিনি জানান, আমাদের পরিবারে কোনও সমস্যা ছিল না। তবু কেন এমন ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না। এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, জানি না।

English summary
Mother kills her baby to drown in water to stop cry. This tragic incident occurs in America.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more