• search

মেয়েকে রোগা বানাতে ফিতাকৃমি খাওয়াল মা!

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    কৃমি
    নিউ ইয়র্ক, ২৪ অগস্ট: মায়ের ইচ্ছে ছিল মেয়েকে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় নামাবেন। কিন্তু মেয়ে যে বিপুল মোটা। থলথলে চেহারা কমাতে অনেক কিছু করেও যখন কাজ হল না, তখন 'অভিনব' উপায় বের করলেন মা। জোর করে মেয়েকে খাইয়ে দিলেন ফিতাকৃমির ডিম! শেষ পর্যন্ত মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় মাকে নিয়ে এ বার টানাহ্যাঁচড়া শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়।

    মেয়েটি ডাক্তারদের জানায়, ছোটো থেকেই সে প্রচণ্ড মোটা। এ নিয়ে খোঁটা খেতে হত মায়ের কাছে। মেয়েকে রোগা বানাতে জিমে ভর্তি করা থেকে শুরু করে ওষুধ খাওয়ানো, কিছুই বাদ রাখেননি মা। শেষ পর্যন্ত গোপনে ফিতাকৃমির ডিম জোগাড় করেন ওই মহিলা। মেক্সিকো থেকে একজনকে দিয়ে চোরাপথে ওই ডিম আনিয়েছিলেন। তার পর একদিন জোর করে মেয়েকে গিলিয়ে দেন সেগুলি। কিছুদিন পরই মেয়েটির পেটে অসহ্য ব্যথা শুরু হয়। সে বমি করতে থাকে। কাহিল হয়ে পড়ে। নিজেই যায় ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার প্রথমে ভেবেছিলেন, পেটে বোধ হয় ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, পেটে অন্তত দশটি ফিতাকৃমি ঘুরে বেড়াচ্ছে! ওষুধ দিয়ে সেগুলি বের করার বন্দোবস্ত হয়। মেয়েটি পরে ডাক্তারদের জানায়, কমোড থেকে ফিতাকৃমিগুলি উঠে আসার চেষ্টা করছিল। দু'টি ফিতাকৃমি দৈর্ঘ্যে আন্দাজ ১২ সেন্টিমিটার ছিল।

    আপাতত সুস্থ হয়েছে ওই কিশোরী। তাকে এখনও কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডাক্তাররা। পুলিশ কিশোরীর মাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    English summary
    Mother forcibly feeds tape worm to daughter to make her slim

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more