• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি মেয়ে প্যারিসের

নিউ ইয়র্ক, ২৫ জানুয়ারি : মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি জানিয়ে মুখ খুললেন মেয়ে প্যারিস। রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একইসঙ্গে তিনি এই প্রথমবার জানিয়েছেন, মাত্র ১৪ বছর বয়সে এক আগন্তুকের হাতে যৌন নিপীরণ সহ্য করতে হয়েছিল তাঁকে। এরপরে তিনি পুরোপুরি অবসাদের শিকার হয় ও ড্রাগ নিতে শুরু করেন।

সদ্য সাবালক হওয়া প্যারিস জানিয়েছেন, মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পরে অবসাদ ও ড্রাগের নেশার ঘোরে অনেকবার নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছে সে। নিজের প্রতি ঘৃণা, বেঁচে থাকার রসদ না পাওয়াতেই এমন করতে গিয়েছিলেন তিনি।

মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি মেয়ে প্যারিসের

এর পাশাপাশি ২০০৯ সালে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়েও এই প্রথমবার মুখ খুলেছেন প্যারিস। চিকিৎসক কনরাড মারে যাকে ইতিমধ্যে মাইকেলে অকালমৃত্যুর জন্য দায়ী করে সাজা দেওয়া হয়েছে, তাকেই দায়ী করেছেন প্যারিস। বলেছেন, সমস্ত তির একদিকেই ধাবিত হচ্ছে। এবং তা হল মাইকেল জ্যাকসন খুন হয়েছেন।

মাইকেল জ্যাকসন প্যারিসের জন্মদাতা বাবা ছিলেন। প্যারিস বলেছেন, মাইকেল আমার পিতা ছিলেন। সবসময় থাকবেন। যারা আমাদের চেনেন তারা বলেন, মাইকেলের ছায়া তাঁরা আমার মধ্যে ভীষণভাবে দেখতে পান।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ জুন মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়। অভিযোগ মাইকেলের দেখভালের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক কনরাড মারের অনিচ্ছাকৃত ভুল ও কর্তব্যে গাফিলতির কারণেই অকালে চলে যেতে হয়েছে এই কিংবদন্তি পপ গায়ককে। আর সেই অপরাধে কনরাড সাজাপ্রাপ্তও হয়েছেন।

English summary
Talking about MJ’s 2009 death, she blamed Dr Conrad Murray, who was convicted of involuntary manslaughter, for getting her father hooked on anesthetic. “All arrows point” to Jackson having been murdered somehow, she said.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more