• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে মরিয়া আমেরিকা, লাদাখে চিনের আগ্রাসন নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি

ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে চিনকে ফের একবার সতর্কবার্তা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চিনকে তোপ দেগে মার্ক এসপার বলেন, চিনা সেনার গতিবিধি ও কার্যকলাপ ভারত সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। তবে দুদেশের মধ্যে আলোচনার বাতাবরণ এখনও রয়েছে দেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট বলে জানান প্রতিরক্ষা সচিব।

ভারত ও চিনের মধ্যে যে ঘটনাপ্রবাহের উপর নজরদারি

ভারত ও চিনের মধ্যে যে ঘটনাপ্রবাহের উপর নজরদারি

এই বিষয়ে মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপার বলেন ভারত চিন সীমান্তে চলা প্রতিটি ঘটনায় কড়া নজর রেখেছে আমেরিকা। এসপার জানান ভারত ও চিনের মধ্যে যে ঘটনাপ্রবাহ চলছে, তাতে নজর রাখা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ করছে আমেরিকা।

গালওয়ান সংঘর্ষের একমাসেরও বেশি সময় পার হয়েছে

গালওয়ান সংঘর্ষের একমাসেরও বেশি সময় পার হয়েছে

গালওয়ান সংঘর্ষের পর কেটে গেছে এক মাস। সাম্প্রতিক ঘটনা অনুযায়ী, লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে দু'দেশের তরফে। গালওয়ান থেকে সেনা সরাচ্ছে চিন। এই পরিস্থিতিতে গালওয়ান সংঘর্ষের ঠিক এক মাস পর লাদাখ সফরে যান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর আগে চলতি মাসের গোড়ার দিকে সেখানে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদীও।

ভারত-চিন সেনার বৈঠক

ভারত-চিন সেনার বৈঠক

এদিকে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চতুর্থ দফায় বৈঠক করে ভারত-চিনা সেনা৷ এই মিলিটারি বৈঠকের পর সেনার তরফে বলা হয়, ভারত ও চিন পূর্ব লাদাখ থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে দায়বদ্ধ৷ কিন্তু, এই প্রক্রিয়াটি জটিল হওয়ায় তা যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে ভারতীয় সেনা৷

বৈঠকে নেওয়া হয় কোন সিদ্ধান্ত?

বৈঠকে নেওয়া হয় কোন সিদ্ধান্ত?

সেনার তরফে বলা হয়, ভারতীয় ও চিনা সেনার সিনিয়র কমান্ডাররা সেনা প্রত্যাহারের প্রথম দফার বাস্তবায়নের বিষয়ে এবং সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপগুলি নিয়েও আলোচনা করেছেন। দুই দেশের কর্পস কমান্ডাররা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ভারত সীমান্তের ভিতর চুশুলে গতকাল টানা ১৫ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেন৷ মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বুধবার রাত দু'টো পর্যন্ত এই আলোচনা চলেছিল৷ এই বৈঠকে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার জটিলতা নিয়ে এবং হাজার হাজার সেনাবাহিনী সরানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়৷

চিনের কাছে ভারতের দাবি

চিনের কাছে ভারতের দাবি

এর আগে গত ৩০ জুনের সামরিক বৈঠকের শর্ত মেনে গালওয়ান উপত্যকার ১৪ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্ট, গোগরা ও হট স্প্রিং এলাকা থেকে ১ কিলোমিটারেরও বেশি পিছিয়েছে ভারতীয় সেনা। তবে এরই মধ্যে ভারত কড়া বার্তা দিয়ে বেজিংকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল যে লাদাখের আসেপাসের এলাকা থেকে পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বেজিংকে।

লাদাখে ভারতের নজরদারি

লাদাখে ভারতের নজরদারি

তিন দফায় সেনা সরানোর প্রক্রিয়ার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ভারত। কোনও ভাবে যদি চিন সেই চুক্তি লঙ্ঘন করে তাহলে ভারতও থমকে যাবে। সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি যাতে কোনও ভাবে লঙ্ঘন না করা হয় সেদিকে নজর রাখছে ভারতীয় সেনা। এর জন্য দিনের পাশাপাশি রাতেও বায়ুসেনার বিমান ও হেলিকপ্টর টহল দিচ্ছে লাদাখের সীমান্ত জুড়ে।

যেকারণে বিবাদ এই অঞ্চলে

যেকারণে বিবাদ এই অঞ্চলে

টহলদারী সীমান্ত নিয়ে বরাবরই ভারত ও চিনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। ভারত বিশ্বাস করে 'ফিঙ্গার ১' থেকে 'ফিঙ্গার ৮' পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাদের এবং চিন মনে করে যে 'ফিঙ্গার ৮' থেকে 'ফিঙ্গার ৪' পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাদেরই। ১৫ জুন, এই 'ফিঙ্গার ৪' এলাকাতেই উভয় পক্ষের সেনার মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ বাঁধে। পরে উভয় পক্ষের সীমানা যেখানে কয়েক হাজার ভারতীয় সৈন্যকে কাঁটাতারের সাথে জড়িত লাঠির মতো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল। 'ফিঙ্গার ৪'-এ এই জন্যেই উল্লেখযোগ্য হারে সেনার সংখ্যা বাড়িয়েছিল চিন যাতে ভারতীয় সেনারা আর 'ফিঙ্গার ৮' এর দিক দিয়ে টহল দেওয়ার সুযোগ না পায়।

English summary
Mark espar said that USA is monitoring China's movement across LAC very closely
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more