• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নাকের কাছে টাকা ধরতেই কোমা থেকে জেগে উঠলেন রোগী!

ওয়ানইন্ডিয়া বেঙ্গলি ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারি : একবছর কেটে গিয়েছে হাসপাতালের বিছানায় কোমায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে রয়েছেন বছর তিরিশের জিয়াও লি। কিন্তু যেভাবে জেগে উঠলেন লি তা তো অকল্পনীয়।

ইন্টারনেট ক্যাফেতে ব্যবসার নানা পন্থা ও ধারণা নিয়ে বিনা ঘুমে প্রায় এক সপ্তাহ গবেষণা করছিলেন লি। এরপরেই ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে কোমায় চলে যান তিনি। চীনের শেনঝেনের একটি হাসপাতালে এক বছরের বেশি সময় ধরে কোমায় রয়েছেন লি।

নাকের কাছে টাকা ধরতেই কোমা থেকে জেগে উঠলেন রোগী!

হাসপাতালের এক নার্স লি-এর পরিবারের কাছ থেকে টাকার প্রতি অগাধ ভালবাসার গল্প শুনে শেষ চেষ্টা করে দেখার জন্য কয়েকটি ব্যাঙ্ক নোট কোমায় আচ্ছন্ন লি এর নাকের কাছে ধরেন। আর ধরতেই চমৎকার। এক বছরের তন্দ্রা থেকে মুহূর্তে জেগে ওঠেন লি।

হাসপাতালের ডাক্তার লিউ তাং জানিয়েছেন, "আমরা লি-এর পরিবারকে জিজ্ঞাসা করি নির্দিষ্ট কোন জিনিসের পিছনে প্রায় পাগল ছিল লি? লি-এর একমাত্র ভালবাসা যে টাকার প্রতি ছিল তা নিয়ে কোনও দোটানা ছিল না পরিবারের মধ্যেও।"

ডাঃ তাং-এর কথায়, "আমরা যখন বিষয়টা শুনলাম, তখন নেহাতই পরীক্ষাবশত একটা নতুন কড়কড়ে ১০০ ইউয়ানের একটি নোট লি-এ নাকের কাছে ধরা হয়, আর তাতেই সাফল্য। লি-এর হাতে আঙুল নড়ে ওঠে। যেন ইউয়ানটা নেওয়ার চেষ্টা করছিল লি। এরপর চোখের পাতাও কাঁপতে শুরু করে তার।"

তবে চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে না লিকে। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশ অনেকটা সময় লাগবে লি-র। খুব ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে লি-র। তবে চিকিৎসকরা আশাবাদী, এভাবেই চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে লি-এর পক্ষে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়াটা অসম্ভব নয়।

English summary
Money driven man who spent more than a year in a coma wakes up when nurses waft CASH under his nose
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more