• search

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারকে কড়া ভাষায় সতর্ক করল রাষ্ট্রসংঘ, আশাবাদী বাংলাদেশ

  • By Oneindiastaff
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া ভাষায় মায়ানমার প্রশাসনকে সতর্ক করল রাষ্ট্র সংঘ। সেদেশের রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দাদের প্রতি সরকার মানবিক নয় বলেই অভিযোগ রাষ্ট্রসংঘের। প্রায় ৫ লক্ষের ওপর রোহিঙ্গা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

     রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারকে কড়া ভাষায় সতর্ক করল রাষ্ট্রসংঘ, আশাবাদী বাংলাদেশ

    ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যানিটেরিয়ান অফিসের প্রধান মার্ক লোকক জেনিভায় জানিয়েছেন, উত্তর রাখাইনে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি যেভাবে দেওয়া হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।

    সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের একটি দল রাখাইন প্রদেশ পরিদর্শন করে। সেখানকার অবস্থা অকল্পনীয় বলে বর্ণনা করেছে রাষ্ট্রসংঘের ওই দলটি।

    পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ওপর রোহিঙ্গা জঙ্গিদের হামলার পর থেকে খুব কড়া ভাবেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে মায়ানমারের সরকার। এরপরেই সেখান সেনা ও পুলিশের অভিযান শুরু হয়। সেখান থেকে প্রায় ৫ লক্ষের ওপর রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে।

    সামনের দিন কয়েকের মধ্যেই রাষ্ট্র সংঘের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল মায়ানমারে যাবে বলে জানিয়েছেন ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যানিটেরিয়ান অফিসের প্রধান মার্ক লোকক। কোনও রকমের বাধা ছাড়াই রাষ্ট্র সংঘের দলকে সেখানে ঢুকতে দেওয়ার আবেদন করেছেন মায়ানমারের সরকারের কাছে। সংকটজনক পরিস্থিতিতে মানুষ উত্তর রাখাইন ছেড়ে পালিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারকে কড়া ভাষায় সতর্ক করল রাষ্ট্রসংঘ, আশাবাদী বাংলাদেশ

    এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক চাপ ও আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান সম্ভব। শনিবার রাষ্ট্রসংঘ সফর শেষ করে দেশের ফেরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিপন্ন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া যেকোনও মানুষের দায়িত্ব।

    English summary
    The lack of humanitarian access granted by Myanmar's government to Rakhine State, where more than half a million Rohingya Muslims have fled violence, is unacceptable, the United Nations said.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more