• search

জবাবি হামলা জারি ইজরায়েলের, গাজায় মৃত বেড়ে ৩০০

  • By ananya pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    গাজা
    জেরুজালেম, ২০ জুলাই: গাজায় আবার পূর্ণ শক্তি নিয়ে হামলা শুরু করল ইজরায়েল। শুক্রবারের পর শনিবারও রাতভর হামলা চলে। ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পাশাপাশি বিমান থেকেও বোমা ফেলা হয়েছে। গোলাবর্ষণ করা হয়েছে ট্যাঙ্ক থেকেও। এই দফায় মারা গিয়েছে ২৬ জন। এই তালিকায় চারজন শিশুও আছে। গত ১২ দিন ধরে চলা ইজরায়েলের জবাবি হামলায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০ জন।

    কিছুদিন আগে প্যালেস্তাইন ভূখণ্ড থেকে হামাস জঙ্গিরা রকেট হামলা শুরু করে। তিনজন ইজরায়েলি নাগরিককে অপহরণ করেছিল তারা। পরে একজনের শব পাওয়া যায় গাজায়। বাকি দু'জনের এখনও কোনও খোঁজ নেই। এর জেরেই ক্ষেপে যায় ইজরায়েল। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে তারা। গত ১২ দিন ধরে ইজরায়েলের বিমান ও ট্যাঙ্ক দফায় দফায় হামলা শানিয়েছে। মিশর শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে চাইলেও তা ভেস্তে গিয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ""হোয়েন দেয়ার ইজ নো সিজ-ফায়ার, আওয়ার অ্যানসার ইজ ফায়ার"! অর্থাৎ যখন যুদ্ধবিরতি হচ্ছে না, তখন যুদ্ধই আমাদের উত্তর। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে চলতে থাকা ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন সংঘর্ষের আশু অবসান হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ২০০৯ সালের পর আবার পাঁচ বছর পর অশান্তি হয়ে উঠেছে গাজা। ইজরায়েলি সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪০ জন হামাস জঙ্গিকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের ইজরায়েলি হামলায় গাজার জখম হয়েছেন অন্তত আড়াই হাজার সাধারণ মানুষ। ৪০ হাজার লোক ঘরছাড়া। ১৩০০ বাড়ি গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইজরায়েলি বোমায়।

    এই সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিন্তিত রাষ্ট্রসংঘ। গতকাল রাতে জেরুজালেমে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। তিনি দু'পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। প্যালেস্তাইনের প্রধানমন্ত্রী মেহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইজরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে গাজার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিক রাষ্ট্রসংঘ। নইলে গাজায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

    English summary
    Israel continues counter-attack in Gaza, death toll rises to 300

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more