• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ইরান প্রশ্নে এবারে সৌদি, আমিরশাহীকে পাশে পেতে চায় আমেরিকা; 'ইউনিল্যাটেরাল' বিদেশনীতির দিন শেষ?

কয়েকদিন আগেই ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুমূল্যের ড্রোনকে ধ্বংস করলে ওয়াশিংটন রীতিমতো ফুঁসে ওঠে। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে শিক্ষা দিতে প্রায় সামরিক অভিযানের দিকে এগোলেও শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে আসেন। ট্রাম্পের এই আচমকা পিছু হঠাতে নানা মহলে ওয়াশিংটনের ক্ষমতা এবং প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাহলে কি বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন পিছু হঠছে?

ইরান প্রশ্নে এবারে সৌদি, আমিরশাহীকে পাশে পেতে চায় আমেরিকা; ইউনিল্যাটেরাল বিদেশনীতির দিন শেষ?

ইরানের বিরুদ্ধে একক পদক্ষেপ না নিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে ইরানের বিরোধিতা থামাচ্ছে না, সে প্রমাণ ফের পাওয়া গেল রবিবার, ২৩ জুন। মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও এদিন বলেন যে তিনি কহিব শিগগিরই সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে যাবেন মার্কিন ড্রোনকে ধ্বংস করে ইরান যে সঙ্কটের সূত্রপাত করেছে, সে বিষয়ে আলোচনা করতে; সংবাদ সূত্র এএফপি জানিয়েছে।

ইরানের মোকাবিলায় আমেরিকা জোটের পথে হাঁটবে?

"ওদের (সৌদি এবং আমিরশাহী) সঙ্গে আমরা ইরানের বিরুদ্ধে এক বড় জোট তৈরী করার ব্যাপারে কথা বলব। কৌশলগতভাবেও আমরা কতটা একে অপরের কাছাকাছি রয়েছি, আলোচনা হবে সে প্রসঙ্গেও," পম্পেওকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে এএফপি।

মার্কিন ড্রোনে ইউএস গ্লোবাল হক-কে গড় বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, হরমুজ প্রণালীর আকাশ থেকে গুলি করে নামে ইরানি সেনা। তেহরানের অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই তাদের আকাশপথে বেআইনিভাবে ঢুকে পড়েছিল।

পরের দিন, অর্থের শুক্রবার, ২১ জুন, ট্রাম্প প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি নিয়েও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে আসেন; বলেন পদক্ষেপটি আনুপাতিক হবে না।

পম্পেও ওয়াশিংটনে সংবাদমাধ্যমকে জানান যে সৌদি আরব এবং আমিরশাহী ইরান প্রশ্নে আমেরিকার বড় বন্ধু।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী মহম্মদ জাভেদ জারিফ- সম্প্রতি একটি মানচিত্র দেখান যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন গুপ্তচর ড্রোন ইরানের আকাশে ঢুকেছে গত মাসের শেষের দিকে। পম্পেও সেই মানচিত্রটিকে "শিশুসুলভ" বলেও কটাক্ষ করেন।

মার্কিন বিদেশসচিব ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টির উপরেও জোর দেন, তাঁর রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের মতো।

একক উদ্যোগের পথে আর এগোচ্ছে না আমেরিকা?

আমেরিকার এই বিদেশনীতির মধ্যে একটি বড় বদল চোখে পড়ছে। আগে কোনও দেশকে দুশমন মনে করে তার মাটিতে আক্রমণ ঘটাতে ওয়াশিংটনকে দু'বার ভাবতে হতো না। কিন্তু বিগত প্রায় দু'দশকে আফগানিস্তান এবং ইরাক আক্রমণ করার পরে যে ফলাফল ওয়াশিংটনকে দেখতে হয়েছে, তাতে নতুন করে সেই একই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে মার্কিন নেতৃত্বকে একশোবার ভাবতে হচ্ছে। তাই বৈদেশিক ক্ষেত্রে কোনও পদক্ষেপ নিতে জোট বা যৌথ উদ্যোগের কথা খতিয়ে দেখতে হচ্ছে।

'আমেরিকান ইউনিল্যাটেরালিজম'-এর কি এখানেই শেষ?

[আরও পড়ুন: ইরান প্রশ্নে ট্রাম্পের ডিগবাজিতে সংশয় বহু মহলেই: তবে কি আমেরিকার দাপটের দিন গত?]

English summary
Iran: US now wants Saudi, UAE in fight against Iran; is this end of American unilateralism?
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X