• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ইরানে হাতে বন্দি ১৭ মার্কিন চর, কয়েকজনকে মৃত্যুদন্ডের সাজা

ফের তুঙ্গে আমেরিকা-ইরান তরজা। আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা(‌ সিআইএ)‌-র ১৭ জন চর ধরা পড়েছে ইরানের হাতে। তারপর থেকে আরও সুর চড়িয়েছে ইরান। সূত্রের খবর। আমেরিকার এই চরদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। ইরানের সংবাদ মাধ্যমন গুলিতে প্রকাশিত হয়েছে খবরটি।

ইরানে হাতে বন্দি ১৭ মার্কিন চর, কয়েকজনকে মৃত্যুদন্ডের সাজা

ইরানের সরকারি সংবাদ মাধ্যমে ধৃত সেই সিআইএ চরদের ছবিও দেখানো হয়েছে। জুন মাসেই ইরান দাবি করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার একটি চক্রকে তারা ধরে ফেলেছে। যদিও এই নিয়ে প্রথমে ধোঁয়াশা ছিল। পরে সরকারি তরফে তা ঘোষণা করা হয়। গত কয়েকমাস ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকার টানাপোড়েন চলছে। ইরানের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমান উঁকি মারতে শুরু করেছিল। তাতে বেজায় চটেছিল ইরান। আমেরিকাকে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান বলেছিল,তারা চুপ করে বসে থাকবে না।

আমেরিকার দিক থেকে একটি গুলি এলে তাঁরা হাজারটা গুলি চালাবে। দুই দেশের এই উত্তেজনার কারণে একাধিক দেশ তাঁদের বিমান ইরানের আকাশের উপর দিয়ে নিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। এমনকী ভারতও ঘুরপথে বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

মাঝে এই চাপন উতোর কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমেরিকার চরদের গ্রেফতার করার ঘটনায় নতুন করে চড়েছে উত্তেজনার পারদ।

গত মাসে ইরান একটি ব্রিটিশ ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করে। তার আগে ইরানের একটি ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করেছিল ব্রিটেন। তার পাল্টা জবাবেই ওই ব্রিটিশ ট্যাঙ্কারটি তারা বাজেয়াপ্ত করেছিল বলে খবর।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার যে চরদের ইরান আটক করেছে তারা অর্থমন্ত্রক, পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র, পরিকাঠামো, সেনাবাহিনী এবং তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

English summary
Iran captured 17 CIA spying suspects
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more