• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা সংকটে আমেরিকায় থাকা চাকরি হারানো ভারতীয়দের কী হবে!

করোনা ভাইরাস রুখতে বিশ্বজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতি। থমকে রয়েছে অর্থনীতি। যারা বাড়িতে বসে কাজ করতে পারছেন তারা করছেন, না হলে কর্মহীন ভাবে দিন কাটছে কয়েক কোটি মানুষের। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি যে ধসে যাবে তা প্রায় একপ্রকার নিশ্চিত। আর এই ধসের জেরে বিশ্বে চাকরির অভাবও দেখা দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। এমনকি চাকরি হারাচ্ছেন বহু লোক।

মৃত্যু মিছিল কোনো ভাবেই থামছে না আমেরিকায়

মৃত্যু মিছিল কোনো ভাবেই থামছে না আমেরিকায়

এদিকে মৃত্যু মিছিল কোনো ভাবেই থামছে না আমেরিকায়। ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসে প্রবল ভাবে বিধ্বস্ত মার্কিন মুলুক। পরপর টানা কয়েক দিন আমেরিকায় প্রায় ২০০০ ছুঁয়েছে মৃতের সংখ্যা। এর জেরে স্পেনকে ছাপিয়ে করোনা থাবায় মৃত্যুর নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আমেরিকা। সেদেশের যা পরিস্থিতি, তাতে আর কয়েকদিনে ইতালিকেও ছাপিয়ে যেতে পারে ট্রাম্পের দেশ।

গত এক সপ্তাহে চাকরি হারিয়েছেন ৬৬ লক্ষ

গত এক সপ্তাহে চাকরি হারিয়েছেন ৬৬ লক্ষ

এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাতে গত এক সপ্তাহে চাকরি হারিয়েছেন ৬৬ লক্ষ মানুষ। করোনা সংক্রমণ সেদেশে দেখা দেওয়ার পর থেকে সেই সংখ্যাটা ১ কোটি ৬০ লক্ষ। এরা সবাই আমেরিকায় বেকারত্ব ভাতার জন্য আবেদন জানিয়েছে। ১৯৪৮ সালের পর এত বাজে অবস্থা কখনও হয়নি আমেরিকাতে।

চাকরি হারিয়েছেন আমেরিকায় থাকা বহু ভারতীয়

চাকরি হারিয়েছেন আমেরিকায় থাকা বহু ভারতীয়

এদিকে এই পরিস্থিতিতে চাকরি হারিয়েছেন সেদেশে থাকা বহু ভারতীয়। এর জেরে সেই এইচ১বি ভিসাধারী ভারতীয়দের কাছে সেদেশে নতুন চাকরির খোঁজার জন্য হাতে থাকবে মাত্র ৬০ দিন। তবে, যেখানে সবাই চাকরি হারাচ্ছে সেখানে কী ভাবে এই সময় নতুন চাকরি পাবেন সেই ভারতীয়রা? এই পরিস্থিতিতে এই সব ভারতীয়কে ফিরে আসতে হবে দেশে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এনআরআই-দের পিটিশন

বর্তমান পরিস্থিতিতে এনআরআই-দের পিটিশন

এদিকে এই ভারতীয়দের অনেকেরই সন্তান আমেরিকার নাগরিক। এদিকে সারা বিশ্ব জুড়ে চলছে ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের কাছে সেই ভারতীয়দের আবেদন, যাতে চাকরি হারালে ৬০ দিনের বদলে তাদের ১৮০ দিন সময় দেওয়া হয়। বর্তমানে হোয়াইট হাউজের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত একটি পিটিশনে সই করছেন ভারতীয়রা। এখনও পর্যন্ত ৫৩ হাজার স্বাক্ষর জমা পড়েছে।

চাকরির অভাব কেন?

চাকরির অভাব কেন?

ব্যবসার অস্তিত্বই লাভ করার জন্য। উৎপাদন না হলে, বিক্রি হবে না। মানে, লাভ হবে না। যার মানে, কর্মী নিয়োগ হবে না। ব্যবসাগুলো স্বল্প সময়ের জন্য অনাবশ্যক কর্মীদের ধরে রাখে, এই আশায় যে, পরিস্থিতি ফিরে আসলে যাতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা যায়। কিন্তু পরিস্থিতি বেশি খারাপের দিকে এগোতে থাকলে তারা আর কর্মীদের ধরে রাখবে না।

বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি কমবে

বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি কমবে

এই পরিস্থিতিতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। বিশ্বে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসবে। ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়ায় ১.৫ শতাংশে। ইন্টারন্যাশনাল মুদ্রা তহবিল অর্থাৎ আইএমএফ সম্প্রতি জানিয়েছে, করোনভাইরাসের জেরে বিশ্ব-মন্দা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় মার্কিন মুলুকে থাকা ভারতীয়রাও পড়েছেন বিপাকে।

English summary
Indian H1B Visa Holders losing jobs fears deportation amid coronavirus lockdown around world
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X