• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা কমাতে মার্কিন কংগ্রেস পাশ রেজোলিউশন, যুদ্ধের বিরোধিতায় পথে মার্কিনীরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে না পারেন সেজন্য তার যুদ্ধ-ক্ষমতা কমাতে ভোট অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অফ রিপ্রেসেন্টেটিভস-এ। সেখানেই রেজোলিউশন পাশ হয় যাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ করার ক্ষমতা খর্ব করা হল। ট্রাম্পের এই যুদ্ধ-ক্ষমতা কমানোর এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২২৪ জন এবং বিপক্ষে ১৯৪ জন ভোট দিয়েছেন।

কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে ট্রাম্পকে

কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে ট্রাম্পকে

এই রেজোলিউশন পাশের ফলে এরপর থেকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে। পাশাপাশি পাশ হওয়া রেজোলিউশনে আরও বলা হয় যে মার্কিন কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে কোনো অনুমোদন না পেলে ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া বন্ধ করতে হবে ট্রাম্পকে। তবে কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষে এই রেজোলিউশন পাশ হলেউ উচ্চকক্ষে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় সেখানে তা পাশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে না।

'মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের কোনও কৌশল নেই'

'মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের কোনও কৌশল নেই'

রেজোলিউশনটি হাউজ অফ রিপ্রেসেন্টেটিভস-এ পেশ করার আগে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছিলেন, আমেরিকার জনগণকে নিরাপদ রাখতে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের যে কোনও সঙ্গতিপূর্ণ কৌশল নেই, তা পরিষ্কার করেছেন প্রেসিডেন্ট নিজেই।

যুদ্ধে বিরুদ্ধে মিছিল মার্কিনীদের

যুদ্ধে বিরুদ্ধে মিছিল মার্কিনীদের

এদিকে এই পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে কয়েকশ মানুষ ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে ও যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি না করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখান। যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্ক ছারাও আমেরিকা জুড়ে মোট ৩৬০টি ব়্যালি হয়েছে।

কাশেম সুলেমানির হত্যা

কাশেম সুলেমানির হত্যা

গত সপ্তাহের শুক্রবার ভোর রাতে বাগদাদ বিমানবন্দরে আমেরিকার সেনার অভিযানে মারা যান ইরানের জেনারেল কাশেম সুলেমানি। বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে হামলার বড়সড় মূল্য দিতে হবে তেহরানকে এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, আর হলও তাই৷ দেশের বাইরে কর্মরত আমেরিকার নাগরিকদের রক্ষার জন্য সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে৷ পদক্ষেপ করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই৷ এরপরেই পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে মোড় নেয় দুই দেশের মধ্যে।

ইরানের প্রতিশোধ

ইরানের প্রতিশোধ

সুলেমানির হত্যার প্রতিশোধ নিতে বুধবার ভোর রাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে ইরানের তরফে একের পর এক মিসাইল হানা হয়। প্রায় হাফ ডজন মিসাইল মার্কিন সেনাকে তাক করে হামলার পর শান্ত হয় তেহরান। সেই মিসাইল হামলার ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই বুধবার গভীর রাতে ফের ইরাকের রাজধানী বাগদাদে রকেট হামলা চালানো হয়।

শান্তির পক্ষে সওয়াল আমেরিকার

শান্তির পক্ষে সওয়াল আমেরিকার

পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোলাটে হলেও আমেরিকা জানাচ্ছে তারা যুদ্ধ নয় শান্তি চায়। এর আগেও কাসেম সুলেমানির হত্যার পর আমেরিকা জানিয়েছিল যে নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই এই কাজ তারা করেছে। তবে সেই কথা মানতে নারাজ ইরান। এই ঘটনার পরেই আমেরিকার উপর প্রতিশোধের হুমকি দেন আয়াতুল্লা খামেনি সহ সেদেশের বিদেশমন্ত্রী জাভাদ জারিফ। এমন কি মার্কিন সেনাদের জঙ্গি ঘোষণা করা হয় ইরানের তরফে। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মাথার দাম ধার্য করে তেহরান।

ইরানের হুমকি

ইরানের হুমকি

এদিকে ট্রাম্প সরকার আগে জানিয়েছিল যে ইরান যদি মার্কিন মুলুকে হামলার চেষ্টা করে বা মার্কিন সেনাকে নিশানায় রাখতে চায়, তাহলে ইরানের ৫২ টি জায়গায় হামলা করবে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ৫২ টি ইরানের জায়গা চিহ্নিত করে রেখেছে। তার জবাবে এদিন ইরান জানিয়েছে তারা ১০০ টি জায়গাকে বেছে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিনীদের একটা হামলা ইরানে হলেই ওই ১০০ টি জায়গায় জবাব দেবে ইরান।

English summary
house of representatives passes resolution curbing trump's power to wage war
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more