প্রথম ভার্চুয়াল কোয়াড বৈঠক, ভারতের করোনা টিকা সহ চিনা আগ্রাসন নিয়ে জোরদার আলোচনার সম্ভাবনা
প্রথম ভার্চুয়াল কোয়াড বৈঠক, ভারতের করোনা টিকা সহ চিনা আগ্রাসন নিয়ে জোরদার আলোচনার সম্ভাবনা
পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবারই প্রথমবারের জন্য অনলাইন বৈঠকে বসতে চলেছে কোয়াডভুক্ত দেশগুলি। ২০০৭ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিঞ্জো আবের নেতৃত্বে পথ চলা শুরু আমেরিকা, ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়ার মতো চারটি দেশের। সেখান থেকেই কোয়াড্রল্যাটারাল সিকিওরিটি ডায়ালগ কোয়াডের অবতারণা। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে ভারতকে করোনা ভ্যাকসিনের আঁতুরঘর বানাতেই মূলত একাধিক বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইন্দো-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা
সেই সঙ্গে করোনা টিকা প্রদানে গোটা বিশ্বে যাতে ভারত মুখ্য ভূমিকা নিতে পারে সেই জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে খবর। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হয়ে উঠতে পারে, দক্ষিণ চিন সাগরে চিনা আগ্রাসন।এক্ষেত্রে কৌশলগত ভাবে আরও কাছাকাছি আসতে পারে ভারত-আমেরিকা, এমনটাই ধারণা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের।

চড়ছে উত্তেজনার পারদ
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিওনে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলায় ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও জাপানের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। আসিয়ান বৈঠকের ঠিক আগের দিন এই বৈঠক হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে তা নতুন মাত্রাও পায়। এমনকী প্রতিটি দেশের তরফে আলাদা আলাদা বিবৃতিও জারি করা হয়। এমতাবস্থায় চার বছরের মাথায় ফের এই বৈঠক বসতে চলায় স্বাভাবিক ভাবেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

ভারতের ভূয়সী প্রশংসা হু প্রধানের গলায়
অন্যদিকে করোনা ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে চিনের দাদাগিরি রুখতে ভারতই কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির কাছে বিনিয়োগের আর্জি জানিয়েছিল। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি, দ্রুত বণ্টন এবং সবদেশে দ্রুত টিকাকরণের ক্ষেত্রে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও আর্জি জানানো হয় বলে শোনা যায়। এদিকে গত সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধনাম ঘেব্রায়েসুস এই টিকা বণ্টনের জন্য ভারতের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন।

আসতে পারে বড়সড় আর্থিক সাহায্য
অন্যদিকে টিকা প্রস্তুতির দৌড়ে ভারতের পাশাপাশি মার্কিন সংস্থাগুলিও পিছিয়ে নেই। তবে এই ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগকেই এদিনের বৈঠকে মূল প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। আমেরিকার নোভাভ্যাক্স এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের মতো ব্র্যান্ডের জন্য ভারতের যে সব সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরি করছে তাদের জন্য অগ্রাধিকার ও বড়সড় আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা হতে পারে। একইসাথে করোনা টিকা প্রস্তুতিতে ভারতও যাতে অন্যান্য ক্ষেত্রে ভালো ফল করতে পারে সেই বিষয়ে জোরদার আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications