বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বুলেট ট্রেনই এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে গতিসম্পন্ন যান। কিন্তু, এবার এমন এক পরিবহণ ব্যবস্থা আসতে চলেছে যার গতির ধারে কাছে বুলেট ট্রেনও পৌঁছতে পারবে না। এই দ্রুততম যানটি যাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাঁর নাম এলন মাস্ক। ইতিমধ্যেই ভবিষ্যতের পরিবহণ ব্যবস্থা থেকে মহাকাশে মানুষ নিয়ে যাওয়া, চাঁদে বসতি স্থাপনের মতো নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তাঁর এই পরিকল্পনায় নয়া সংযোজন 'বিগ ফাকিং রকেট' বা বিএফআর। মাস্কের দাবি, এই পরিকল্পনা হলে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে পৌঁছতে মাত্র ৩০ থেকে ৬০ মিনিট সময় লাগবে।

    বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

    মঙ্গল এবং চাঁদ নিয়ে একটি সেমিনারেই দিন পাঁচেক আগে 'বিগ ফাকিং রকেট'-এর ধারনাকে সামনে নিয়ে এসেছেন এলন মাস্ক। এই দ্রুতগতির যানে চাপতে বিশাল ভাড়াও দিতে হবে না। মাস্কের দাবি, বিমানের ইকনমি ক্লাসে যে ভাড়া দিতে হয় তাতেই এই দ্রুত গতির যানে চেপে কমপক্ষে ৩০ মিনিটে পৌঁছে যাওয়া যাবে এক শহর থেকে অন্য শহরে।

    বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

    এলন মাস্কের দাবি একটি রকেটের মধ্যে তিনি মানুষ চাপিয়ে দেবেন। এরপর সেই রকেটে চেপে মানুষ চলে যাবে মহাকাশে, আর সেখান থেকেই গন্তব্যস্থলের শহরের আকাশে ঢুকে পড়বে এই রকেট। খাতায়-কলমে এই রকেটর পরিকল্পনা থাকলেও এলন মাস্কের দাবি সাত থেকে নয় মাসের মধ্যেই এই রকেট নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যাবে।

    বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

    সেমিনারে একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছেন এলন মাস্ক। তাতে দেখা যাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক শহরের একটি বন্দর থেকে একটি স্পিডবোটে চেপে কিছু মানুষ জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা একটি রকেটে এসে উঠছেন। এই রকেটটি এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর তৈরি করা ফ্যালকন ৯। এই রকেটের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একটি স্পেসক্র্যাফট। এরপর ওই রকেটটি স্পেসক্র্যাফট নিয়ে মহাকাশে চলে যাচ্ছে। সেখানে রকেটটি স্পেসক্রাফট থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। খানিকপরে ওই স্পেসক্র্যাফটি সাংহাই-এর আকাশ ফুঁড়ে ঢুকে পড়ছে এবং জলের উপর অবতরণ করছে। আকাশ পথে নিউ ইয়র্ক থেকে সাংহাই-এর দূরত্ব ৭,৩৬৪ মাইল। এলন মাস্ক তাঁর ভিডিও প্রেজেন্টেশনে দেখিয়েছেন বিএফআর-এর মাধ্যমে এই বিশাল রাস্তা মাত্র ৩৯ মিনিটে পার করছে মানুষ।

    এই বিএফআর-এর মাধ্যমে মানুষ হংকং থেকে সিঙ্গাপুর মাত্র ২২ মিনিটেই পৌঁছনো যাবে বলেও দাবি করেছেন মাস্ক। এমনকী, লস অ্যাঞ্জালেস থেকে টরান্টো ২৪ মিনিট, ব্যাঙ্কক থেকে দুবাই ২৭ মিনিটে, টোকিও থেকে সিঙ্গাপুর ২৮ মিনিটে, লন্ডন থেকে দুবাই ২৯ মিনিটে এবং লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক ২৯ মিনিট লাগবে বলেও ভিডিও-তে দাবি করেছেন তিনি।

    বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

    পৃথিবী থেকে পৃথিবীর মধ্যে চলাচল করা মাস্কের এই পরিকল্পিত দ্রুত গতির যান ঘণ্টায় ১৮,০০০ মাইল যাত্রা করবে বলে দাবি করা হচ্ছে। এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স- মঙ্গল এবং চাঁদের জন্য যে স্পেসক্র্যাফট তৈরি করছে তা এতে ব্যবহার করা হবে। এতে এই স্পেসক্র্যাফট ৮০ থেকে ২০০ জন লোক পরিবহণ করতে সক্ষম বলেও স্পেস এক্স জানিয়েছে।

    বুলেট ট্রেনও হার মানবে এর কাছে! রকেটে চেপে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন

    এলন মাস্কের এই পরিকল্পনা নিয়ে অবশ্য অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, স্পেসক্র্যাফট-এর এয়ার ট্র্য়াভেল মার্কেটের কতটা তিনি দখল করতে পারবেন? এই নিয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য মাস্ক দেননি। এমনকী, কীভাবে এই পরিকল্পনাকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে ও কবে স্পেস এক্স এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে পারবে, তা নিয়ে কোনও তথ্যই দেওয়া হয়নি। সমালোচকদের আরও মত যে রকেটে চেপে মহাকাশে যাওয়া কতটা কষ্টকর তা খুব একটা অজানা নয়। কারণ, মহাকাশে গেলে ভরশূন্য অবস্থা তৈরি হয়। এর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ লাগে শুধু নয় এই ধরনের যাত্রায় অপরিসীম মানসিক চাপও নিতে হয়। সুতরাং, কোনও মানুষ এতটা মানসিক চাপ নিয়ে রকেটে চেপে এক শহর থেকে অন্য শহরে সফর করতে চাইবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা। ফ্য়ালকন ৯-এর অবতরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। ফ্য়ালকন ৯ ভূমি এবং জলে ভালমত অবতরণ করতে সক্ষম তা প্রমাণিত। কিন্তু, একটা মানুষ ভর্তি স্পেসক্র্যাফট নিয়ে এর উৎক্ষেপণ এবং অবতরণ কতটা কার্যকর হবে তা এখনও প্রমাণিত নয় বলেই দাবি করা হচ্ছে। তবে, সন্দেহ নেই এলন মাস্কের এই পরিকল্পনা ভবিষ্যতের দ্রুত গতির পরিবহণ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ভাবনা। যা বাস্তবায়িত হলে মানব সভ্যতাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    English summary
    Elon Musk unveiled the new era of transportation which can help man to reach one city to another by thirty minutes. Space X's CEO claims this plan would be done by Big Fucking Rocket or BFR system.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more