• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে, জাপানের উপকূলে জাহাজে বন্দি ১৩৮ ভারতীয়

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে এই আশঙ্কায় জাপানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বিলাসতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসকে। সেই জাহাজেই বন্দি হয়ে রয়েছেন ১৩৮ ভারতীয়। করোনা ভাইরাস সংক্রণের আতঙ্কে ভুগছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই জাহাজ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেরার আর্তি জানিয়েছেন ভারতীয়রা।

জাহাজে বন্দি ভারতীয়রা

জাহাজে বন্দি ভারতীয়রা

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ যখন মধ্য গগনে ঠিক তখনই ইয়োকোহমা বন্দরে বেশ কিছুদিন ছিল বিলাসতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেস। প্রায় ৩৭০০ জন যাত্রী রয়েছেন সেই বিলাসতরীতে। তারমধ্যে ভারতীয়রাও রয়েছেন। ১৩৮ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১৩২ জন কর্মী এবং ৬ জন যাত্রী রয়েছেন। কোনওভাবেই জাহাজটি থেকে যাত্রীদের নামতে দিতে চাইছে না জাপান সরকার।

ফেরার আর্তি

ফেরার আর্তি

গত ১০ দিন ধরে জাহাজের মধ্যেই বন্দি দশায় রয়েছেন ১৩৮ জন ভারতীয় সহ অন্যান্য যাত্রী এবং কর্মীরা। কারণ এই জাহাজ থেকেই হংকংয়ে অবতরণ করেছিল এক যাত্রী। সে করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত ছিল। তারপরেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে। জাপান সরকারও সেই খবর পাওয়ার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এদিকে ভারতীয়রা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাণ পণে সেখান থেকে বেরোনোর আর্তি করে চলেছেন।

জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ভারতের

জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ভারতের

ভারতীয়দের উদ্ধাের জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জাহাজে যে ভারতীয়রা রয়েছে তঁদের মধ্যে কর্নাটক, মুম্বই, কেরল এবং গোয়ার বাসিন্দা। পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দাও রয়েছেন সেই জাহাজের কর্মী হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের দুরবস্থার কথা জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন বাম নেতা

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি নেতাদের পাশে কুখ্যাত দুষ্কৃতী, পুরভোটের আগে শুরু জল্পনা

English summary
due to corona virus fobia 138 indians stuck in cruse ship near Japan
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more