• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই করোনা নিয়ে WHO-কে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন ট্রাম্প?

করোনা ভাইরাসে বিদ্ধস্ত আমেরিকা। বর্তমানে সেদেশে কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। ভয়াবহ ঝুঁকিতে গোটা দেশের জনগণ। অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির শীর্ষে অবস্থান করেও করোনা যুদ্ধে পর্যুদস্ত আমেরিকা। আর আমেরিকার এই পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতা কোনও ভাবেই অস্বীকার করা যায় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তোপ ট্রাম্পের

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তোপ ট্রাম্পের

একদিন আগে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যর্থ বলে অভিযোগ এনে একের পর এক তোপ দেগেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি অর্থ বরাদ্দও আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেলেন ট্রাম্প।

হু-এর তহবিলে টাকা না দেওয়ার হুমকি

হু-এর তহবিলে টাকা না দেওয়ার হুমকি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে হু, এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর তহবিলে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে হুঙ্কার ছাড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জন্য ৪০ কোটি ডলারের বেশি তহবিল দিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমালোচনা করেন ট্রাম্প

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমালোচনা করেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, করোনা ভাইরাস প্রকোপের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছতে চলেছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, 'তারা (হু) মানুষকে ভুল উপদেশ দিয়েছে এবং চিনের দিকে অতিরিক্ত মনোযোগ দিয়েছে। তারা এখন বলছে, এটা ভুল, ওটা ভুল। আরও কয়েক মাস আগেই তাদের এগুলো বলা উচিত ছিল। তবে তারা সেটা করেনি।' তবে বিশেষজ্ঞদের মত, এত কিছু করে নিজের ভুল ঢাকার জন্য হু-ক বলির পাঁঠা বানাতে চাইছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে করোনা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে করোনা

চিনের উহানে প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি। জানুয়ারি মাসের মধ্যেই বিশ্বের ২১টি দেশে করোনায় আক্রান্ত হয় সহস্রাধিক মানুষ। এ সময়ে বারকয়েক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আছে দাবি করেন। অথচ এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস।

অনেক দেরিতে জ্ঞান হয় ট্রাম্পের

অনেক দেরিতে জ্ঞান হয় ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম করোনার রোগী শনাক্ত হয় গত ২০ জানুয়ারি ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটলের শহরতলীতে। ৫৪ বছরের সেই ব্যাক্তি ১ মার্চ মারা যান সিয়াটলে। এরপরই টনক নড়ে হোয়াইট হাউজ প্রশাসনের। নড়েচড়ে বসেন সবাই। সিডিসিকে ৩ মার্চ অনুমতি দেয়া হয় করোনা টেস্টের। এ সময়ে বিভিন্ন দেশে আক্রান্ত হয় ৮৭ হাজার মানুষ। নিউ ইয়র্কে ইরানফেরত ৩৯ বছর বয়সী এক মহিলা করোনায় মারা যান ম্যানহাটনের একটি হাসপাতালে গত ১৩ মার্চ। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন ট্রাম্প।

শুরুতে আমল না দেওযায় ভুগতে হয়েছে আমেরিকাকে

শুরুতে আমল না দেওযায় ভুগতে হয়েছে আমেরিকাকে

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশাস (সিডিসি) ফেডারেল সরকারের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। সংক্রামক ব্যাধি ইবোলা, জিকাসহ সিডিসি বিভিন্ন ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে সম্প্রতি। এত কিছুর পরও করোনা মহামারী রুখতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যর্থতার দায়ভার এড়াতে পারবে না ট্রাম্প প্রশাসন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরুতেই আমলে নেননি করোনাভাইরাসের বিষয়টি। তিনি উদ্যোগ নেননি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে।

ট্রাম্পকে পাল্টা হুশিয়ারি WHO প্রধানের

ট্রাম্পকে পাল্টা হুশিয়ারি WHO প্রধানের

এদিকে ট্রাম্পের আক্রামণের এদিন পাল্টা দিয়েছেন হু প্রধান। আমেরিকাকে সতর্ক করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম এদিন বলেন, 'করোনা ভাইরাস নিয়ে রাজনীতি করলে এর ফল মারাত্মক হতে পারে। এটা আগুন নিয়ে খেলার সমনা। যদি বেঁচে থাকেন তবে রাজনৈতিক দলগুলির হয়ে বিরোধিতা করার জন্যে, নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করার জন্যে আরও অনেক সময় পাবেন, দয়া করে এই ভাইরাসটিকে রাজনীতির অস্ত্রে পরিণত করবেন না।'

English summary
donald trump trying to put the blame on who to cover up for his failure to curb covid 19
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more