• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মার্কিন-পাকিস্তান দহরম মহরম নিয়ে কী বলছে চিন? আফগানিস্তানই আসল কারণ, ইঙ্গিত বিশেষজ্ঞদের

পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের সুসম্পর্কের কথা বিশ্ববিদিত। আর কেউ না থাক, ইসলামাবাদের দুর্দিনে অন্তত বেইজিং চিরকালই তার পাশে থেকেছে। ইদানিংকালে চিনের 'বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' নামক মহাপ্রকল্পেও সামিল হয়েছে পাকিস্তান। লক্ষ্য, চিনের সাহায্যে যতটা অর্থনৈতিক অগ্রগতি করা যায়।

তা সব মরসুমের বন্ধু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং সেখানে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দহরম মহরম নিয়ে কী ভাবছে চিন? তারা কি উদ্বিগ্ন?

চিনের গ্লোবাল টাইমস এই প্রসঙ্গে একটি মতামতধর্মী প্রতিবেদন পেশ করে বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই। জাও গানচেং নামে সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে বেশ অবনতি দেখা গিয়েছে বিগত বছরগুলিতে। গত বছরেও ওয়াশিংটন ইসলামাবাদের জন্য ধার্য ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাহায্য বাতিল করে। বছরের প্রথম দিনটিতে পাকিস্তানকে ধোঁকাবাজ বলে আক্রমণ করেন ট্রাম্প, বলেন বিপুল সাহায্য নিয়েও তারা আমেরিকাকে কোনও প্রতিদানই দেয়নি। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে এত কিছুর পরেও কেন এই ট্রাম্প-খান বৈঠক?

আফগানিস্তানের ইস্যুতে ট্রাম্পের পাকিস্তানকে চাই

আফগানিস্তানের ইস্যুতে ট্রাম্পের পাকিস্তানকে চাই

গানচেং-এর মতে, ট্রাম্পের আসলে পাকিস্তানকে প্রয়োজন আফগানিস্তান যুদ্ধের নিস্পত্তির ব্যাপারে। সামনের বছরেই আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আর তাই আফগানিস্তানে প্রায় দুই দশক ধরে চলতে থাকা যুদ্ধের শেষ ঘটিয়ে রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প একটি সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছতে চান। আর আফগানিস্তানের মাটিতে শান্তি ফেরাতে পাকিস্তানের ভূমিকা অনস্বীকার্য যা বর্তমানে মার্কিন-তালিবান শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের সমর্থন দেখেও আন্দাজ করা যায়। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তানে পৌঁছতে গেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অন্য ভৌগোলিক পথ দেখতে হবে কিন্তু তাতে খরচ যেমন বাড়বে তেমন সম্ভাবনা থাকবে মধ্য এশিয়ায় রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতেরও কারণ ওই অঞ্চলের নানা দেশের উপরে এখনও মস্কোর প্রভাব যথেষ্ট বলে মতপ্রকাশ করেন গানচেং।

"বর্তমানে, ট্রাম্প প্রশাসন তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে। আর এই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে পাকিস্তানের সমর্থন আবশ্যিক। যদি ইসলামাবাদ বেঁকে বসে, তাহলে তাতে ওয়াশিংটনেরই ক্ষতি।

রয়েছে পাকিস্তানের আর্থিক স্বার্থের কথাও

রয়েছে পাকিস্তানের আর্থিক স্বার্থের কথাও

চিনা বিশেষজ্ঞ বলেন পাকিস্তানের ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির কথাও। তিনি বলেন মার্কিন আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়াতে উদ্বিগ্ন পাকিস্তানের এখন লক্ষ্য সেটি ফিরে পাওয়া। আর আর্থিক সহযোগিতা পেলে আফগানিস্তান ইস্যুতেও যে পাকিস্তান আরও সাহায্য দেবে আমেরিকাকে, সে নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

অন্যান্য নানা কারণও রয়েছে

অন্যান্য নানা কারণও রয়েছে

অন্যান্য যে সমস্ত কারণে মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ক এক লহমায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন গানচেং তা হচ্ছে ইমরান খান সম্পর্কে ওয়াশিংটনের প্রথমদিকে স্বচ্ছ ধারণার অভাব এবং পরে তাঁকে চেনা; ইরান এবং সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক খুব ভালো না থাকার ফলে মুসলিম দুনিয়ার একমাত্র পরমাণু শক্তিধর দেশের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন উদ্যম আনা এবং সর্বোপরি, পাকিস্তানকে বিআরআই প্রকল্পে যোগ দান থেকে বিরত রেখে তার উপরে পাল্টা প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা, চিনের মোকাবিলার জন্যে।

সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কে পুনরায় জোয়ার আসার ফলে নড়েচড়ে বসেছে অনেক দেশই। এখন দেখার এই মধুচন্দ্রিমা কদ্দিন টেকে।

[আরও পড়ুন:চিনের নয়া চমক:বেইজিং-এর বেসরকারি সংস্থা এবারে মহাকাশে আস্ত রকেট পাঠিয়ে দিল! ]

[আরও পড়ুন: তালিবানকে আফগানিস্তান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাল কাবুল সরকার]

English summary
Donald Trump-Imran Khan bonhomie: Is China worried with US & Pakistan mending ties?
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X