• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৬০ বছর পর মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনছে এই দেশের সরকার

  • By Soumik Bose
  • |

৬০ বছর মলদ্বীপে ফিরে আসছে মৃত্যুদণ্ড। ক্রমাগত বাড়তে থাকা খুন ও মাদক পাচার কমানোর চেষ্টায় গত ৬০ বছর এদেশে মৃত্যুদণ্ড ছিল না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি মাথায় রেখে মৃত্য়ুদণ্ড ফিরিয়ে আনা ছাড়া উপায় ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন।

৬০ বছর পর মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনছে এই দেশের সরকার

তবে মলদ্বীপ সরকারের পক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সহজ ছিল না। রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে না আনতে প্রচুর চাপ দেওয়া হয়েছে। যদিও সাধারণ মানুষ সরকারের এই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছেন। গত এক দশকে ছোট্ট এই দেশে ৫০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। শাসকদল প্রোগ্রেসিভ পিপলস পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের পক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনের দায়িত্ব সরকারের ওপর থেকেই যায়।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে একসঙ্গে ৭ জনকে খুনের ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল]

অপরদিকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মলদ্বীপে এই মুহূর্তে ২০জন বিচারাধীন বন্দি খুনের দায় অভিযুক্ত। তাদের মধ্যে ৫জন নাবালক। ফেয়ার ট্রায়াল পদ্ধতিতে এই ২০ জনের ফাঁসির সাজা এড়ানো যেতেই পারে।

মূলত পর্যটনভিত্তিক রাষ্ট্র মলদ্বীপে গত কয়েক বছরে অপরাধের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। খুন ছাড়াও মাদক পাচারের অভিযোগও ঘন ঘন ওঠে মলদ্বীপে। ফলে ৬০ বছর রেহাই দিলেও এবার মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনতেই হচ্ছে বলে মনে করছে সেদেশের সরকার।

lok-sabha-home
English summary
Death penalty returns in Maldives after 60 years, murder and drug smuggling increases in an alarming rate in last decade.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more