• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

কয়েক দশক ধরে বাদুড়ের মাধ্যমেই সন্তর্পনে বেড়ে উঠেছে প্রাণঘাতী করোনা, চাঞ্চল্য নতুন গবেষণায়

  • |

ইতিমধ্যেই করোনা আতঙ্কে যখন গোটা বিশ্ব, তখন নতুন একটি গবেষণায় উঠে আসছে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের উত্পত্তি সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। নেচার মাইক্রোবায়োলজি নামক একটি পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় কয়েক দশক ধরে প্রাথমিক বাহক বাদুড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল করোনা, যদিও ৪০-৭০ বছর পূর্বে বাদুরবাহিত সার্বিকোভাইরাস থেকে আলাদা হয়েছিল সার্স-কোভ-২।

ফেব্রুয়ারিতেই শুরু চিনা গবেষকদের অনুসন্ধান

ফেব্রুয়ারিতেই শুরু চিনা গবেষকদের অনুসন্ধান

উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি-এর গবেষকদলের প্রধান ডঃ ঝেঙ-লি শি জানিয়েছেন, এসএআরএস-সিওভি-২ ভাইরাস ও আরএটিজি১৩ ভাইরাসের জিনের মধ্যে মিল প্রায় ৯৬% এবং ইউনান প্রদেশের হর্সশু বাদুর থেকেই সম্ভবত করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে। আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক ম্যাকিয়েজ বনি এবং বিশ্বের অন্যান্য তাবড় তাবড় গবেষকরা ডঃ শি-এর তথ্যকে সমর্থন করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে জানিয়েছেন নানা গবেষণা পত্রিকায়।

ভবিষ্যতে বাহক বদল করে মহামারী ছড়াতে পারে এই ভাইরাস

ভবিষ্যতে বাহক বদল করে মহামারী ছড়াতে পারে এই ভাইরাস

চিনা গবেষকদল মূলত তিনপ্রকার পদ্ধতিতে সার্বিকোভাইরাস থেকে করোনাভাইরাসের আলাদা হয়ে যাওয়ার সম্পর্কে গবেষণা চালিয়েছেন। তিনপ্রকার পরীক্ষা থেকেই এটা অন্তত স্পষ্ট হয়েছে যে, আরএটিজি১৩ এবং এসএআরএস-সিওভি-২ একই পূর্ব পুরুষজাত এবং মূলত ১৯৪৮, ১৯৬৯ ও ১৯৮২ সালে একে অপরের থেকে আলাদা হয়। বেঙ্গালুরুর জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক সত্যজিৎ মেয়র জানিয়েছেন, "এইরকমের গবেষণা এটা স্পষ্ট করে যে সামান্য বাদুড় থেকে ছড়ানো ভাইরাসের ক্ষেত্রেও গবেষণা কতটা কঠিন। অন্যদিকে এইভাবে জিনগত পরিবর্তন করতে থাকলে আগামীতে অন্যান্য বাহক ধারণ করে মহামারী ছড়াতে পারে এই ভাইরাস।"

মানুষের কোষের সাথে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা করোনা ভাইরাসের সহজাত

মানুষের কোষের সাথে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা করোনা ভাইরাসের সহজাত

অধ্যাপক বনি এবং অন্যান্য সহ-গবেষকরা জানিয়েছেন যে, সার্বিকোভাইরাসের উন্নতির কারণেই যে এসএআরএস-সিওভি-২ ভাইরাসের মানুষের কোষের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা এসেছে, তা একেবারেই নয়। বরং মানুষের শ্বাসযন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতার জন্য স্পাইক প্রোটিন এই ভাইরাস বাদুড়ের শরীরেই অর্জন করে নেয়। ২০০২ সালে ছড়িয়ে পড়া সার্বিকোভাইরাসের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি একই ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। অন্যদিকে প্যাঙ্গলিন নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং সাপের মাধ্যমে মানব শরীরে করোনা ছড়ানোর গুজব ছড়িয়ে পড়লেও, এ বিষয়ে সঠিক গবেষণাজাত প্রমাণের অভাবে সহমত হননি গবেষকরা।

বেড়েই চলেছে বিপদ

বেড়েই চলেছে বিপদ

গবেষকদলের মতে, দীর্ঘসময় ধরে জিনগত পার্থক্য পুনর্নির্মাণের কারণে সার্বিকোভাইরাস বা আরএটিজি১৩ ভাইরাসের আরও বংশধরের সৃষ্টি হতে পারে, যারা ভিন্ন ভিন্ন স্তন্যপায়ীর শরীরকে বাহক হিসেবে ব্যবহার করে মানবসভ্যতাকে দাঁড় করাতে পারে প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখে। গবেষকরা জানিয়েছেন, সঠিকভাবে বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তদের নমুনা পরীক্ষা করা না হলে তথ্য বিশ্লেষণ কার্যত অসম্ভব। ফলে বাদুড়ের শরীরে এসএআরএস-সিওভি-২-এর অভিযোজন সংক্রান্ত তথ্য খনন করাও দুষ্কর হয়ে পড়ছে বলে মত চিকিৎসকদের একাংশের।

যোগী মন্ত্রীসভায় করোনার থাবা, মৃত্যু উত্তরপ্রদেশের কারিগরি শিক্ষামন্ত্রীর

Positive Story : করোনা আবহে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেনে রপ্তানি বানিজ্য শুরু

English summary
deadly coronavirus has been on the rise in bats for decades new research shows
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X