বাড়ছে উদ্বেগ, বিশ্বজোড়া আতঙ্কের আবহে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও থাবা বসাল করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

বাড়ছে উদ্বেগ, বিশ্বজোড়া আতঙ্কের আবহে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও থাবা বসাল করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

দেশীয় ভ্যারিয়েন্টের নানা রূপে ইতিমধ্যেই শঙ্কিত ভারত। বি.১.৬১৭ স্ট্রেনের ভয়াল রূপে ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ, বাড়ছে দৈনিক মৃত্যু। এতদিন ব্রাজিল, ব্রিটেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেন আটকাতে ভারতের প্রচেষ্টা দেখেছিল সমগ্র বিশ্ব। সম্প্রতি সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনার সাক্ষী থাকল সকলে। দক্ষিণ আফ্রিকার চারজনের শরীরে মিলল ভারতীয় স্ট্রেন! যদিও এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

দু'দেশের যোগাযোগে করোনা পাঁচিল

দু'দেশের যোগাযোগে করোনা পাঁচিল

সম্প্রতি দিন পনেরো আগে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে চলাচলকারী ২ জাহাজের সদস্যদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছিল। তার পরেই ভারতীয় স্ট্রেনের খোঁজ মিলল আরও চারজনের শরীরে। এমতাবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকাবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তা দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জবেলি মখিজি। "কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং চলছে। পাশাপাশি আইসোলেশনে চিকিৎসা চলছে ৪ জনের। এখনই কেউ দয়া করে আতঙ্কিত হবে না", শনিবার জানিয়েছেন মখিজি।

অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়িয়ে বাণিজ্যে রাশ টানার ভাবনা

অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়িয়ে বাণিজ্যে রাশ টানার ভাবনা

"বর্তমানে যেকোনো দেশেই ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হতে পারে এবং অন্য দেশে স্ট্রেন ছড়ানোর ক্ষেত্রে 'আমদানি-রপ্তানি' কথার উল্লেখ ঠিক নয়', মত মখিজির। জবেলির মতে, "মন্ত্রিসভার সভা ও প্রশাসনিক বৈঠকের পরেই অর্থনীতি বিষয়ক ও বাণিজ্য বন্ধের বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে"। 'ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন' বা 'মারাত্মক' তালিকাভুক্ত নতুন প্রকারভেদগুলিকে নিয়ে যে সকল দেশই প্রবল চিন্তিত, সে বিষয়েও জানান জবেলি।

গোষ্ঠী সংক্রমণে নাম লিখিয়েছে বি.১.১.৭ স্ট্রেন!

গোষ্ঠী সংক্রমণে নাম লিখিয়েছে বি.১.১.৭ স্ট্রেন!


সম্প্রতি ভারত থেকে দু'টি জাহাজ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশ করেছে, একটি কবাজুলু-নাটাল-র ডারবানে এবং অন্যটি গকুবেরহাতে। ইতিমধ্যেই জাহাজের কর্মীদের মধ্যে ১১ জনের শরীরে বি.১.১.৭ স্ট্রেনের দেখা মিলছে। স্বভাবতই জাহাজের প্রধান নাবিকের বিরুদ্ধে নকল কোভিড ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করছে সেদেশের পুলিশ। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার গোষ্ঠী সংক্রমণে বি.১.১.৭ স্ট্রেনের ভূমিকা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মখিজি। সময়ের সাথে সাথে নব স্ট্রেনগুলির জিনোম সিকোয়েন্সিং করলে যে উন্নততর ভ্যাক্সিন প্রস্তুতি সম্ভব, সে কথাও জানান দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত ৫৪ হাজার, আক্রান্ত ১৫.৯ লক্ষ

দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত ৫৪ হাজার, আক্রান্ত ১৫.৯ লক্ষ

অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বি.১.৩৫১ স্ট্রেনও যে পাল্লা দিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভূগোলকের অন্যান্য প্রান্তে, তা স্পষ্ট সাম্প্রতিক ঘটনাতেই। সম্প্রতি বাংলাদেশ ফেরত এক পর্যটকের শরীরে বি.১.৩৫১ স্ট্রেন খুঁজে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্ত হয়েছে ১৫.৯ লক্ষ নাগরিক, মৃত ৫৪ হাজার, জানিয়েছে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব। সংক্রমণ রুখতে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পাশাপাশি টেস্টিং, ট্রেসিং ও কোয়ারেন্টাইনের উপর যে ভরসা রাখছে প্রশাসন, তা স্পষ্ট করেছেন মখিজি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+