• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    হিমালয়ের নিচ দিয়ে নেপাল পর্যন্ত রেলপথ বানাতে চলেছে চিন

    নয়াদিল্লি, ১০ এপ্রিল : ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নয়া নয়া অভিনবত্ব দেখানো তাদের কাছে এমন কোনও বড় কাজ নয় তা ফের একবার প্রমাণ করতে চলেছে চিনারা। সেইসূত্র ধরেই এবার বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের নিচ দিয়ে রেলপথ তৈরির পরিকল্পনা করেছে গণপ্রজাতন্ত্রী চিন

    চিনা সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, তিব্বত ও নেপালের সঙ্গে রেলপথে যোগাযোগ তৈরি করতে ও পর্যটনের প্রসারে এভারেস্টের তলা দিয়ে রেলপথ পাতবে চিন। সেই রেলপথ চিন থেকে ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপাল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

    হিমালয়ের নিচ দিয়ে নেপাল পর্যন্ত রেলপথ বানাতে চলেছে চিন

    চিনা সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সেইদেশের রেল দপ্তরের বিশেষজ্ঞ ওয়াং মেনংগসু জানিয়েছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে রেললাইন পাতার কাজ শেষ হয়ে যাবে। এর জন্য এভারেস্টের নিচ দিয়ে রেল লাইন নিয়ে যেতে হবে।

    সূত্রের খবর, দিনে দিনে নেপালি পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে চিনে। এভারেস্টের তলা দিয়ে নেপাল পর্যন্ত রেলপথ টেনে আনা গেলে পর্যটন শিল্পে নয়া গতি আনা যাবে। পাশাপাশি হিমালয়ান করিডোরেও নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে চিন।

    চিনা সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, পর্বতসঙ্কুল রাস্তা হওয়ায় সেখানে ট্রেন চলাচলের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটারের বেশি হবে না।

    তবে বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বড় চিন্তা হিমালয়কে নিয়েই। বিশ্বের সবচেয়ে নবীন পর্বতমালা এই হিমালয়ান রেঞ্জ। প্রতিদিনই একটু একটু করে তা কলেবরে বাড়ছে। এর নিত দিয়ে রেললাইন নিয়ে যাওয়া কতটা সুরক্ষিত হবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

    English summary
    China wants to build a rail tunnel to Nepal under Mount Everest
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more