• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নিজেদের সেনাকেও সম্মান দেয় না চিন! গালওয়ান ইস্যুতে বেজিংয়ের নির্মম মানসিকতার নিদর্শনে চাঞ্চল্য

গালওয়ানে যেই চিনা সাম্রাজ্যবাদী সরকারের হয়ে লড়ে লালফৌজের জওয়ানরা জীবন দিয়েছিল, সেই সরকারই এখন জওয়ানদের বলিদান অস্বীকার করছে। ১৫ জুন ভারত ও চিনের মধ্যে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন শহিদ হয়েছিলেন। পাশাপাশি চিনের তরফে অন্তত ৪৩ জন হতাহত হয় বলেও খবর পাওয়া যায়। তবে সেই খবর বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে চিন।

 লোকসান নিয়ে বেজিংয়ের নীরবতা

লোকসান নিয়ে বেজিংয়ের নীরবতা

গালওয়ান সংঘর্ষে ভারতীয় সেনার মৃত্যুর খতিয়ান সারা বিশ্বের কাছে উঠে এলেও, চিনের তরফে লোকসান নিয়ে বেজিং স্পিক টি নট। তবে ভারতের তরফে দাবি করা হয় যে এই সংঘর্ষে চিনের অন্তত ৪৩ জন জওয়ান হতাহত হয়েছে। যদিও এই বক্তব্য প্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্য করেনি বেজিং। এই বক্তব্যকে তাঁরা খণ্ডনও করেনি।

গালওয়ান সংঘর্ষে চিনের কমান্ডিং অফিসারের মৃত্যু

গালওয়ান সংঘর্ষে চিনের কমান্ডিং অফিসারের মৃত্যু

শেষ পর্যন্ত চিনের তরফে মেনেও নেওয়া হয় যে গালওয়ান সংঘর্ষে তাদের পক্ষের কমান্ডিং অফিসারের মৃত্যু হয়। গালওয়ান উপত্যকায় সেদিন প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে চলেছিল সেই ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ। নিরস্ত্র জওয়ানদের উপরেও হামলা চালাতে দ্বিধা করেনি চিনের জওয়ানরা। আগ্রাসী চিনা সেনা ধেয়ে আসে ভারতীয় বাহিনীর দিকে। এই ঘটনায় ২০ জন শহিদ হওয়ার পাশাপাশি ভারতের আরও ৭৬ জন জওয়ান জখম হন।

বেজিংয়ের মুখোশ

বেজিংয়ের মুখোশ

এদিকে এই সংঘর্ষের সময় চিনের এক কর্নেলকেও আটক করে ভরতীয় সেনা। মনে করা হয়, এই কর্নেলের বিনিময়েই পরে ভারতের ২ মেজর সহ ১০ জন সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হয় চিনের তরফে। সংঘর্ষের পর এদেরকে আটক করে রেখেছিল চিন। তবে এত আদান প্রদান বিনিময়ের মধ্যেও চিন তাদের সেনার বলিদান স্বীকার করতে নারাজ। আর এর জন্য মৃত সেনার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে বেজিং। যাতে তাদর মৃত সেনার পরিবার কোনও ভাবেই অন্তেষ্টিক্রিয়া করে চিনের মুখোশ না খুলে দেয়।

সংঘর্ষের সূত্রপাত

সংঘর্ষের সূত্রপাত

লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় পয়েন্ট ১৪- থেকে কিছুতেই তাঁবু সরাতে রাজি হচ্ছিল না চিনা বাহিনী। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিতণ্ডা শুরু হয়। সাদা পতাকা নিয়ে আলোচনার জন্য গিয়েছিল ভারতীয় সেনা। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি চিনা সেনা। তারপরেই পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। নিরস্ত্র অবস্থায় আলোচনায় বসা ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টের উপর হামলা চালায় চিনা বাহিনী।

টহলদারী নিয়ে বিবাদ

টহলদারী নিয়ে বিবাদ

টহলদারী সীমান্ত নিয়ে বরাবরই ভারত ও চিনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। ভারত বিশ্বাস করে 'ফিঙ্গার ১' থেকে 'ফিঙ্গার ৮' পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাদের এবং চিন মনে করে যে 'ফিঙ্গার ৮' থেকে 'ফিঙ্গার ৪' পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাদেরই।

কী হয়েছিল ১৫ জুন?

কী হয়েছিল ১৫ জুন?

১৫ জুন, এই 'ফিঙ্গার ৪' এলাকাতেই উভয় পক্ষের সেনার মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ বাঁধে। পরে উভয় পক্ষের সীমানা যেখানে কয়েক হাজার ভারতীয় সৈন্যকে কাঁটাতারের সাথে জড়িত লাঠির মতো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল। 'ফিঙ্গার ৪'-এ এই জন্যেই উল্লেখযোগ্য হারে সেনার সংখ্যা বাড়িয়েছিল চিন যাতে ভারতীয় সেনারা আর 'ফিঙ্গার ৮' এর দিক দিয়ে টহল দেওয়ার সুযোগ না পায়।

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা সায়ন্তন বসুর

অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিন থাবা বাড়তেই নদীবক্ষে কোন গোপন টানেল গড়ার পথে ভারত! কোমর কষছে দিল্লি

English summary
China is not willing to recognise the casualties it suffered in the Galwan valley clash with Indian army
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more