Bangladesh: নতুন করে তপ্ত বাংলাদেশ, সংঘর্ষে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যু, আহত ৩০ জন
অশান্তি আর থামছে না বাংলাদেশে। শনিবার রাত থেকে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়েছে বাংলা দেশে। রবিবার সকালে রাজধানী ঢাকায় এই অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকার রাজপথে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ চলেছে। আওয়ামি লিগের কর্মী সর্থকদের সঙ্গে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নতুন করে সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন শতাধিক। সরকারি চাকরিতে মাত্রাতিরিক্ত সংরক্ষণের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা প্রথমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন। পরে সেটি ছড়িয়ে পড়ে চট্টগ্রাম, খুলনা সহ বাংলাদেশের একাধিক জায়গায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসিনা সরকারকে সেনা পর্যন্ত নামাতে হয় রাস্তায়। ঢাকার রাস্তায় রীতিমতো ট্যাঙ্কার চলতে দেখা গিয়েছিল। মাঝে কয়েকদিন পরিস্থিতি শান্ত হলেও এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

ছাত্র এবং যুব লিগের সমর্থকদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে বিক্ষোভ কারীদের। ইতিমধ্যেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ঢাকার একাধিক জায়গায়। পড়ুয়াদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করে রাস্তায় নেমেছে ছাত্ররা। গতকাল দিনভর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন পড়ুয়ারা।
ঢাকা ছাড়াও শাহবাগেও প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন পড়ুয়ারা। ধানমাণ্ডি, মীরপুর, মহম্মদপুর, রামপুরা, তেজগাঁও, ফার্মগেট, পান্থপথ, যাত্রাবাড়ি, উত্তরা সহ একাধিক জায়গায় দফায় দফায় মিছিল এবং বিক্ষোভ চলছে। ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজের সামনে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তারপর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী এবং রোগীরা রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন।
কয়েকদিন আগে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঢাকা। তাতে প্রায় ২০০ জন মারা গিয়েছিলেনষ আহত হয়েছিল অসংখ্য। এই আন্দোলনে বিরোধীদের উস্কানি ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল। তারপরে অভিযোগ উঠেছিল যে ছাত্রদের কাছ থেকে ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছিল আন্দোলন। তারপরে অবশ্য বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংরক্ষণ কমিয়ে দেয়।












Click it and Unblock the Notifications