• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণ সারা দেশে, রাত পোহালেই স্বাধীনতা দিবস

  • By Ananya Pratim
  • |
বাংলাদেশ
ঢাকা, ২৫ মার্চ: আজ ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই রাতে বাঙালির রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল ঢাকা শহর। রাজারবাগ, পিলখানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গায় নির্বিচারে চলেছিল পাকিস্তানি সেনার তাণ্ডব। সারা দেশ আজ স্মরণ করছে সেই রাতে শহীদ হওয়া মানুষদের। নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।

'একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি' রাত আটটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। তার পর ভয়াল রাতকে স্মরণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মোমবাতি নিয়ে সুদীর্ঘ মিছিল হবে। মিছিলটি জগন্নাথ হলের বধ্যভূমিতে গিয়ে শহীদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। প্রদর্শিত হবে মুক্তিযুদ্ধের ওপর চলচ্চিত্র।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় বিকেল পৌনে ছ'টা। ঢাকার রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান সোজা চলে গেলেন এয়ারপোর্টে। বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চালিয়েও মেলেনি সমাধানসূত্র। বিমানে ওঠার আগে সেনাকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে গেলেন, "আজ রাতেই ঝাঁপিয়ে পড়ো। শেষ করে দাও বিদ্রোহী বাঙালিকে। কাল সকালে করাচিতে বসে যেন খবর পাই, ঢাকায় আর কোনও বিদ্রোহী বেঁচে নেই।"

শেষ করে দাও বিদ্রোহী বাঙালিকে, নির্দেশ ছিল ইয়াহিয়া খানের

রাত সওয়া একটা। ট্যাঙ্ক নিয়ে পাকিস্তানি ফৌজ ঘিরে ফেলে শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডির বাড়ি। টেনে হিঁচড়ে তাঁকে গ্রেফতার করে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। গ্রেফতার হওয়ার আগেই অবশ্য তিনি অয়্যারলেসে স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামে থাকা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা জহুর আহমেদ চৌধুরী এই ঘোষণা সাইক্লোস্টাইল কপি করে বিলি করে দেন। সেই ভিত্তিতেই পালিত হয়ে আসছে ২৬ মার্চ। দেশের স্বাধীনতা দিবস

এদিকে মাঝরাত থেকে শুরু হয় পাকিস্তানি ফৌজের নরমেধ যজ্ঞ। রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যাঙ্ক থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়। বিদ্রোহীদের বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছিল রাজাকার, আল বদর ইত্যাদি দেশীয় দোসররা। বাড়ির পর বাড়ি থেকে শিশু, বুড়ো সব্বাইকে বেরিয়ে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার পর লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে মেশিনগান চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যারা বাড়ি থেকে বেরোতে চায়নি, তাদের বাড়িতে বোমা মারা হয়। আর হতভাগ্য বাড়িগুলির মেয়েদের খোলা রাস্তায় গণধর্ষণ করে খুন করেছিল ইয়াহিয়া খানের সেনারা।

মুক্তি আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন যাঁরা, সেই অধ্যাপক কিংবা সাংবাদিকদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। গোবিন্দচন্দ্র দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, সন্তোষ ভট্টাচার্য প্রমুখ অধ্যাপককে গুলি করে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়েছিল। দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ ইত্যাদি মুক্তিকামী সংবাদপত্রগুলির অফিসে ঢুকে সাংবাদিকদের গুলি করে মারা হয়। এক রাতে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষকে খুন করেছিল পাকিস্তানি ফৌজ, শুধু ঢাকা শহরে। ২৬ মার্চের সকালে শব সৎকারের জন্যও কাউকে পাওয়া যায়নি।

English summary
Bangladesh remembers March 25, ready to celebrate Independence Day
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more