• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা: রায় ঘোষণা ১০ অক্টোবর

  • By Bbc Bengali
২১শে অগাস্টে গ্রেনেড হামলার পর বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউতে জুতা, স্যন্ডেলের পাশেই পড়েছিল একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড
Getty Images
২১শে অগাস্টে গ্রেনেড হামলার পর বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউতে জুতা, স্যন্ডেলের পাশেই পড়েছিল একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড

আগামী ১০ই অক্টোবর আলোচিত ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।

ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল- ১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত রায়ের এই তারিখ ঘোষণা করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান এবং আবদুর রেজ্জাক খান অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশররফ হোসেন কাজল এবং রেজাউর রহমান তার সংক্ষিপ্ত যুক্তি উপস্থাপন শেষ করার পর আদালত রায়ের এই তারিখ ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মাঈনুদ্দিন আইনী যুক্তিতর্ক পেশ করেন।

১১৯ কার্যদিবস শেষে মামলাটি এই পর্যায়ে এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ নিয়েছে ২৯ কার্যদিবস আর আসামিপক্ষ নিয়েছে ৯০ কার্যদিবস।

আরও পড়তে পারেন:

গ্রেনেড হামলা: যেভাবে রক্ষা পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা

ড্রোন বোমা থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের রক্ষা

'আমাকে জোর করে আনা হয়েছে, আর আসবো না'

এ হামলার পৃথক মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে ৩ জন আসামির অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

এখন ৪৯ আসামির মধ্যে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, সেনা কর্মকর্তা রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীসহ ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন। পলাতক আছেন ১৮ জন । জামিনে রয়েছেন আরও ৮জন।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমান এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত। মামলায় তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রের ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২২৫ জনকে আদালতে উপস্থাপন করে। আসামীপক্ষ থেকে হাজির করা হয়েছে ১২ জনকে।

হামলায় অল্পের জন্যে বেঁচে যান আওয়ামী লীগের নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Getty Images
হামলায় অল্পের জন্যে বেঁচে যান আওয়ামী লীগের নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন।

আহত হন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন শতাধিক মানুষ।

হামলার পরদিন মতিঝিল থানার এসআই শরীফ ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

তারপর নানা নাটকীয়তার পর ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে সিএমএম আদালতে দু'টি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ওই বছরই মামলা দু'টির কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ।

গ্রেনেড হামলায় মারা যান আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভী রহমান।
Getty Images
গ্রেনেড হামলায় মারা যান আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভী রহমান।

পরের বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষ মামলার অধিকতর তদন্তের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

পরে বিএনপির নেতা তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ৩০জনকে অভিযুক্ত করে ২০১১ সালে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

গতবছর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে শুরু হয় যুক্তিতর্ক।

BBC
English summary
August 21 grenade attack: verdict will be declared on October 10

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X