• search

প্রথমে নিজের ছেলে পরে মেয়েকে বিয়ে করে শেষে এই হাল মায়ের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    গ্রীক ইতিহাসে ইলেকট্রা বা ইতিপাস কমপ্লেক্সের ঘটনা শোনা যায়। যেখানে মায়ের প্রতি পুত্রের ও বাবার প্রতি কন্যার মানসিকভাবে আকর্ষণের আভাস মেলে। বহু যুগ ধরে এই মানসিক দিক নিয়ে চলেছে নানা গবেষণা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা সাহিত্যও। আর এবার উঠে এলো নিজের সন্তানকে এক মায়ের বিয়ে করার ঘটনা। শুধু ছেলে নয়, নিজের মেয়েকেও বিয়ে করেছেন ওকলাহোমার প্যাট্রিকা অ্যান স্প্যান।

    প্রথমে নিজের ছেলে পরে মেয়েকে বিয়ে করে শেষে এই হাল মায়ের

    [আরও পড়ুন:ভারতের একমাত্র গ্রাম যেখানে বিড়াল পূজিত হয় দেবী রূপে]

    ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ২৬ বছরের মেয়ে মিস্টি স্প্যানকে বিয়ে করেন বছর ৪৪ এর মা প্যাট্রিকা। বিয়ের সময়ে মেয়েকে তিনি বোঝান যে , একই পরিবারের সদস্য হওয়ায়, এই বিয়ে কোনও দোষের কাজ নয়। এরপর বিয়ে করে তাঁরা দুজনে ওকলাহোমার ডানকানে থাকতে শুরু করেন একসাথে। খবর পেয়ে 'ইনসেস্ট'-এর দায়ে তাঁদের দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    [আরও পড়ুন:পকেট মেরেও তা ফিরিয়ে দিল পকেটমার, কারণ জানলে অবাক হবেন]

    ইনসেস্ট বলতে একই পরিবারের রক্তের সম্পর্কের সদস্যের সঙ্গে যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার ঘটনাকে বোঝায়। ওকলাহোমার আইনে এক অপরাধ বলে মনে করা হয়, যার জন্য ১০ বছর পর্যন্ত সাজা দেওয়া হয়। এদিকে, ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে ওকলাহোমার মানবাধিকার হিউম্যান সার্ভিসেস। জানা গিয়েছে, তাঁর বিগত বিয়েতে ডিভোর্সের ঘটনার পর, তাঁর সন্তানদের কাস্টাডি হারান প্যাট্রিকা। সন্তানদের কাছে পেতেই প্যাট্রিকার এই কৌশল কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মিস্টির আগে, নিজের দুই ছেলেকেও বিয়ে করেন প্যাট্রিকা। তাঁদের বিষয়েও বিশদে জানতে উঠে পড়ে লেগেছে পুলিশ।

    [আরও পড়ুন:স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই ভিডিও, এমন দৃশ্য আপনি আগে দেখেননি]

    English summary
    Patricia and Misty Spann were married on March 26, 2016.Court records say Patricia Spann had convinced Misty Spann that their marriage was legal - even though they're biologically related. Patricia, 44, is Misty's mother.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more