হ্যারিকেন মিল্টনের প্রভাবে সমুদ্রে ২৮ ফুট উঁচু কালো ঢেউ, ভয় ধরাবে সেই ছবি
ফ্লোরিডায় বিধ্বংসী হ্যারিকেন মিল্টন আছড়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি। বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন। একাধিক মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে। তার মধ্যে আটলান্টিকের যে ছবি ফুটে উঠেছে, তা শিউড়ে ওঠার মতো।
হারিকেন মিল্টন স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছিল। সেই সময় ড্রোন ক্যামেরায় ছবি তোলা হয়। হ্যারিকেনের মধ্যেই ড্রোন ক্যামেরা পৌঁছে গিয়েছিল। আর সেই ক্যামেরায় ধরা পড়েছে আটলান্টিকের বিশাল উঁচু ঢেউয়ের ছবি। এই ছবি যে কোনও মানুষকে ভয় পাইয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

শক্তিশালী ঝড় বুধবার মেক্সিকো উপসাগরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ড্রোন ফুটেজে হারিকেন মিল্টনের প্রভাবে একটি ভয়ঙ্কর ঢেউ ধরা পড়েছে। সেই ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল ২৮ ফুট। সেই সময় হাওয়ার গতিবেগ ছিল প্রতি ঘন্টায় ৭৫.৯৮ মাইল। ন্যাশনাল ওশেনিক এন্ড এটমসফেরিক এডমিনিস্ট্রেশনের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে আটটার দিকে মিল্টন আঘাত হানে স্থলভাগে। অত্যন্ত বিপজ্জনক ক্যাটাগরি ৩ ঝড় হিসেবে এই ল্যান্ডফল হয়। এনওএএ-এর জাতীয় হ্যারিকেন সেন্টার অনুসারে, ফ্লোরিডার সিয়েস্তা কী-এর কাছে বুধবার, হাওয়ার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ মাইল।
ট্যাম্পা এলাকায় সরাসরি আঘাত করেনি মিল্টন। ঝড়টি সেন্ট পিটার্সবার্গ, সারাসোটা এবং ফোর্ট মায়ার্সের উপর আঘাত করেছে। ফ্লোরিডার উপসাগরীয় উপকূল বরাবর শহর এবং অন্যান্য ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই হ্যারিকেন মারাত্মক আঘাত এনেছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনার কথাও জানা যাচ্ছে।
মিল্টনের তৈরি হওয়া ও গতিপ্রকৃতি দেখে বিস্মিত আবহবিজ্ঞানীরা। মাত্র ৪৬ ঘণ্টার মধ্যে মিল্টন এক অতি শক্তিশালী হারিকেনের রূপ নিয়েছে। শুরুর দিকে মিল্টনের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৪০ কিলোমিটার। কিন্তু দ্রুত আটলান্টিকে সে শক্তি সঞ্চয় করে। ক্যাটাগরি ৫ হ্যারিকেন আকার নেয়। যদিও স্থলভাগে আঘাত হানার সময় কিছুটা শক্তিক্ষয় হয়েছিল। ক্যাটাগরি ৩ আকারে সেটি স্থলভাগে আছড়ে পড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications